হবিগঞ্জ
ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, হতাশায় শিক্ষার্থীরা

সংগৃহীত ছবি
চলছে এসএসসি ও সমমান (দাখিলসহ) পরীক্ষা। শুধু পরীক্ষা হয়েছে একটি। প্রথম পরীক্ষায়ই কেন্দ্র থেকে দিয়েছে ভুল প্রশ্ন। চরম হতাশায় শিক্ষার্থীরা। পরে ১০০ দাখিল পরীক্ষার্থীর খাতা আলাদা সংরক্ষণ করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাপিয়া আক্তার।
হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল)।
দাখিলে প্রথম দিন পরীক্ষার বিষয় ছিল কোরআন মাজিদ। সারা দেশে পরীক্ষা নেওয়া প্রশ্নের সেট ছিল যমুনা-১। কিন্তু হবিগঞ্জের ওই কেন্দ্রে একটি কক্ষের ১০০ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া হয় অন্য সেটের প্রশ্নে। হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬২৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৬০৮ জন।
পরীক্ষার্থীরা জানান, যদি ফলাফলে ফেল আসে, তাহলে এক বছর সময় নষ্ট। শুধু তাই নয়, এটা তাদের অপূরণীয় ক্ষতি। তারা তাদের পরীক্ষা নেওয়া প্রশ্নেই খাতা মূল্যায়নের দাবি জানান।
কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক মিয়া বলেছেন, ‘প্রশ্ন বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল হল সুপার খাইরুদ্দীন ও চেক অফিসার মিজানুর রহমানকে। তাদের এ কাজে সতর্ক
থাকতে বলা হয়েছিল। তবুও তারা ভুল করেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা চলছে।’
জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, যোগাযোগ করা হয়েছে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে। আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হবে ওই ১০০ খাতা। পরীক্ষার্থীদের ক্ষতি হবে না। দায়িত্বে অবহেলার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাপিয়া আক্তারের ভাষ্য, ‘এ ব্যাপারে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। ১০০ খাতা আলাদা করে দেখা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে না শিক্ষার্থীরা। দায়িত্ব অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে উপযুক্ত ব্যবস্থা।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ২০২৫ সালের প্রশ্নে নেওয়া হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা। পরে দেড় ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে ২০২৬ সালের সঠিক প্রশ্নে নেওয়া হয় পরীক্ষা। কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল)। এতে ক্ষোভ ঝেড়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।



