সবজি ও আমিষের দামে নাভিশ্বাস ক্রেতাদের

সংগৃহীত ছবি
সপ্তাহের ছুটির দিনে ব্যাগ হাতে বাজারে গিয়ে থমকে দাঁড়াচ্ছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তরা। নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতিতে বাজারের তালিকায় কাটছাঁট করতে হচ্ছে এসব মানুষকে। বিশেষ করে সবজি ও মাছের বাজারে গিয়ে হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
গতকাল শনিবার (২ মে) রাজধানীর বাজারগুলোতে দেখা গেছে, সবজির দামে কোনো সুখবর নেই।
বেগুনের বাজারে এখন আগুন। চিকন বেগুন কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা হলেও বড় গোল বেগুনের দাম ঠেকেছে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায়। দামের দিক থেকে পাল্লা দিচ্ছে কাঁকরোলও, যা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।
এ ছাড়া অন্যান্য সবজির মধ্যে টমেটো ৬০-৭০, বরবটি ও ঝিঙে ৬০-৮০ এবং পটোলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়। কাঁচা মরিচের ঝালও কম নয়, প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা দরে। করলা ও লাউয়ের দামও সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
সাধারণের মাছ হিসেবে পরিচিত চাষের পাঙাসও বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা কেজিতে। তেলাপিয়া ২৫০-২৬০ এবং রুই মাছের কেজি ঠেকেছে ৪০০-৪২০ টাকায়। তবে দেশি শিং, পাবদা বা রূপচাঁদার মতো মাছগুলো সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে।
৭০০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো মানসম্মত দেশি মাছ। এমনকি ৪০০ গ্রাম ওজনের পদ্মার ইলিশের কেজিও এখন ১২০০ টাকা।
মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮৫-১৯০ এবং সোনালি মুরগি ৩৩০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের বাজারে কিছুটা মিশ্র চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। এক ডজন লাল ডিম এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা দরে। তবে তুলনামূলক স্বস্তি মিলেছে আলু ও পেঁয়াজের বাজারে। নতুন আলু কেজিপ্রতি ২০-২৫ এবং দেশি পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আদা ও রসুনের দামও গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে।



