আইইউবিএটির চার ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

সংগৃহীত ছবি
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি-আইইউবিএটির চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডের আওতায় ছয় বছরের জন্য আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন করেছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান আইইবির অধীন বোর্ড অব অ্যাক্রেডিটেশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন এই স্বীকৃতি দিয়েছে।
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রোগ্রামগুলো হলো ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এটিকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে তুলে ধরেছে।
এই অর্জন উদযাপনে মঙ্গলবার আইইউবিএটি ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাস জুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। আনন্দ র্যালি, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, গান ও নাচে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে আয়োজন।
আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রব। উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার ও পরিচালক প্রশাসন অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস, কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন অধ্যাপক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ নুরুজ্জামান, স্কুল অব কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. উৎপল কান্তি দাস এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলামসহ অন্য শিক্ষক ও কর্মকর্তা।
অনুষ্ঠানের শেষে একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যান্ড ওয়ারফেজ সংগীত পরিবেশন করে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে, এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ফলে সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বাড়তি সুযোগ পাবে। নিয়মিত মূল্যায়নের মাধ্যমে পাঠ্যক্রম ও শিক্ষাদানের মান আরও উন্নত হবে বলেও তারা জানায়।
আইইবি অধীন বিএইটিই দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রোগ্রাম মূল্যায়ন করে নির্ধারিত মান পূরণ সাপেক্ষে অ্যাক্রেডিটেশন প্রদান করে।
১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত আইইউবিএটি দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম অগ্রণী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণা ও উদ্ভাবনে ভূমিকা রেখে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনাম অর্জন করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।



