সূচকের জোয়ারে চাঙ্গা ডিএসই, লেনদেনেও দারুণ গতি

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। দিন শেষে প্রধান সূচকসহ অন্যান্য সূচকও ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে ছিল, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বাড়ার পাশাপাশি মোট লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে, যা বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।
বিশেষ করে মাঝারি ও বড় মূলধনি শেয়ারগুলোতে ক্রয় চাপ বাড়ায় সূচকের এই উত্থান হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে চিত্র কিছুটা ভিন্ন ছিল, যেখানে সার্বিক সূচক সামান্য কমলেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বেড়েছে। এতে বোঝা যায়, বাজারে নির্বাচিত শেয়ারে বিনিয়োগ প্রবণতা বাড়ছে।
সামগ্রিকভাবে দুই বাজারের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিনিয়োগকারীরা ধীরে ধীরে ঝুঁকি নিতে আগ্রহী হচ্ছেন, তবে এখনো বাজার পুরোপুরি স্থিতিশীল অবস্থায় পৌঁছায়নি। ফলে আগামী কার্যদিবসগুলোতে সূচকের ধারাবাহিকতা ও লেনদেনের গতি বাজারের দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫২৭৭ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১০৫৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২০২৩ পয়েন্টে।
দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯৬ কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৭৪টির, দর কমেছে ১৫৯টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৩টির।
ডিএসইতে ৮৭৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবস থেকে ৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেশি। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৮২৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৭৮৩ পয়েন্টে।
সিএসইতে ২১৮টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০০টির দর বেড়েছে, কমেছে ৮৬টির এবং ৩২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ১৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।



