ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলতেই ফের ধস

গ্রাফিক্স: আগামীর সময়
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন দেখা যায়। পরবর্তী সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার খবরে টানা তিন কার্যদিবস বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকে। তবে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলতেই সেই ইতিবাচক ধারা ভেঙে আবারও পতন শুরু হয়েছে। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইসরায়েল নতুন করে লেবাননে হামলা চালালে ফের অস্থিরতা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। নেতিবাচক প্রভাব পড়ে শেয়ারবাজারেও, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুনভাবে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ সূচক পতনের সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। দরপতন হয়েছে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের। মাসের বেশি সময় ধরে টানা পতনের বৃত্তে দেশের শেয়ারবাজার। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার পরিবর্তে কাজ করছে আতঙ্ক।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গত মার্চ মাসে বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে আশঙ্কাজনক হারে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে যে অস্থিরতা বিরাজমান তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সামগ্রিক অর্থনীতিতে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও তাই পড়েছেন অনিশ্চয়তায়।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার দিন শেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৬০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৫৭ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৬৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই–৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ২ পয়েন্টে।
দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯০ কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির, দর কমেছে ৩০৬টির এবং দর অপরিবর্তিত ১৪টির। ডিএসইতে ৭৭৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৯৯১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৭৭৩ পয়েন্টে। সিএসইতে ১৯৫টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭০টির দর বেড়েছে, কমেছে ১০৭টির এবং ১৮টির দর অপরিবর্তিত। সিএসইতে ১১ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।



