এনটিআরসিএর নিয়োগ
অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ এক পদের বিপরীতে লড়বেন ৪ জন

ফাইল ছবি
দেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য থাকা প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক) পদগুলোতে নিয়োগের লড়ায়ে নামছেন ৫৩ হাজার ৬৯ জন প্রার্থী। মোট ১২ হাজার ৯৫১টি পদের বিপরীতে জমা পড়েছে এই বিশাল সংখ্যক আবেদন। অর্থাৎ গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে লড়বেন ৪ জন প্রার্থী।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন এসব তথ্য। আগামী ১৮ এপ্রিল এনটিআরসিএর অধীনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই নিয়োগ পরীক্ষা।
প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, আবেদনকারীদের মধ্যে নারী ও পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যায় লক্ষ্য করা গেছে বড় ধরনের ব্যবধান। মোট আবেদনকারী ৫৩ হাজার ৬৯ জনের মধ্যে পুরুষ প্রার্থী ৪৭ হাজার ৩৫১ জন। আর নারী প্রার্থী ৫ হাজার ৭১৮ জন।
সংবাদ সম্মেলনে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও প্রধান পদের শূন্যতা দ্রুত কাটাতে জানান নতুন একটি রোডম্যাপের কথা।
এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বলেছেন, এখন থেকে বছরে নেওয়া হয়েছে দুটি করে নিয়োগ চক্র সম্পন্ন করার পরিকল্পনা। প্রতি ছয় মাস অন্তর একটি করে নিয়োগ শেষ করতে তৈরি করা হয়েছে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা।
‘চলমান অষ্টম গণবিজ্ঞপ্তির নিয়োগ কার্যক্রম আগামী জুনের মধ্যে শেষ করতে নির্ধারণ করা হয়েছে লক্ষ্যমাত্রা। জুনের পরপরই শুরু হবে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের পরবর্তী ধাপ’, যোগ করেন তিনি।
ভবিষ্যতে আবেদনের সময় বাড়ানোর প্রবণতা থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়ে চেয়ারম্যান জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-রিকুইজিশন (শূন্য পদের তালিকা) পাওয়া গেলেই ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। দ্রুততম সময়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিক্ষাখাতে গতিশীলতা ফেরানোই বর্তমান কর্তৃপক্ষের মূল লক্ষ্য।



