অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস নিয়ে নির্দেশনা জানা যাবে আজ

প্রতীকী ছবি
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে আজ রবিবার বিশেষ নির্দেশনা দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর গত বৃহস্পতিবার রাতে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সচিব নাসিমুল গনি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানিসংকটে পড়েছে অনেক দেশ, এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। পরিস্থিতিতে জ্বালানির ওপর চাপ কমাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন পাঠদান চালুর বিষয়টি সামনে এসেছে। এখন এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা আজ জানা যাবে।
‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা নির্দেশনা দেবে। কারণ, এ বিষয়ে কিছু ক্ষেত্রে আলোচনার দরকার আছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় রবিবার (৫ এপ্রিল) থেকে স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সংক্রান্ত আলাদা নির্দেশনা দেওয়া শুরু করবে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, তা বিবেচনায় রাখা হবে’- গত বৃহস্পতিবার এ কথা বলেছেন মন্ত্রিপরিষদের সচিব।
ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ইলেকট্রিক বাস নামানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদ্যালয়গুলো এসব বাস বিনা শুল্কে আমদানি করতে পারবে বলে জানান সচিব।
এর আগে মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, জ্বালানি সাশ্রয়ে সশরীর ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়ে সরকার গুরুত্বেরসঙ্গে আলোচনা করছে।
পরে জানা যায় সশরীর ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস বা ব্লেন্ডেড লার্নিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরিকল্পনা হয়, আপাতত সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চালু থাকবে। এর মধ্যে ৩ দিন অনলাইনে ও ৩ দিন সশরীরে পাঠদান দেওয়া হবে। ১ দিন অনলাইনে ক্লাস হলে পরদিন সশরীর ক্লাস নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানা যায়।
যদিও এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় অভিবাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে। অবিভাবকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল পেরেন্টস ফোরাম এক বিবৃতিতে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। সপ্তাহে ৪ দিন সশরীরে (অফলাইন) ক্লাস চালু রেখে বাকি ৩ দিন স্কুল সম্পূর্ণ ছুটি রাখার প্রস্তাব দেয় তারা। পূর্ব অভিজ্ঞতায় স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি ফলপ্রসূ নয় বলে উল্লেখ করে সংগঠনটি।



