আগামীর সময়

গাজার খাদ্য সংকটের ভিডিও ইরানের নামে প্রচার

গাজার খাদ্য সংকটের ভিডিও ইরানের নামে প্রচার

ছবিঃ আগামীর সময়

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত মা ও শিশুরা একটুখানি খাবারের জন্য সংগ্রাম করছে’- এমন দাবিতে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

পোস্টগুলোতে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানে ভয়াবহ খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, আলোচিত দাবিটি সঠিক নয়। ভাইরাল ভিডিওটি সাম্প্রতিক ইরান-সংকটের নয়; বরং এটি ২০২৪ সালের মার্চ মাসে গাজা উপত্যকার খাদ্য সংকটের সময় ধারণ করা।

এ বিষয়ে অনুসন্ধানে জাতীয় গণমাধ্যম বাংলাভিশনের ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৪ সালের ৭ মার্চ প্রকাশিত ‘আটা-ময়দার দাম জীবনের চেয়ে বেশি! দুর্ভিক্ষের কবলে গাজা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। সেখানে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ফলে আটা-ময়দার অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, ত্রাণ প্রবেশে বাধা এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের মানবিক সংকটের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে ওই প্রতিবেদনের দৃশ্যের মিল পাওয়া যায়।

এছাড়া কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার ২০২৪ সালের ৭ মার্চ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গাজায় দুর্ভিক্ষ-সদৃশ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়। মানবিক সংস্থা রিফিউজি ইন্টারন্যাশনাল-এর তথ্য অনুযায়ী, সামরিক কার্যক্রম ও ত্রাণ প্রবেশে প্রতিবন্ধকতার কারণে সেখানে খাদ্য, পানি, আশ্রয় ও চিকিৎসা সংকট তীব্র আকার ধারণ করে।

সুতরাং, ২০২৪ সালের গাজা উপত্যকার খাদ্য সংকটের ভিডিওকে ২০২৬ সালের ইরানের পরিস্থিতি বলে প্রচার করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর।

    শেয়ার করুন: