চুরির অভিযোগে আটক নারীর ভিডিওকে যুবদল নেতার নির্যাতন বলে অপপ্রচার

ছবিঃ আগামীর সময়
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সুদের টাকা দিতে না পারায় নিরীহ নারীকে চুল কেটে নির্মম নির্যাতন করেছেন ভোলা সদর উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউল রহমান গনি’— এমন শিরোনামে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রচারিত দাবিটি সঠিক নয়।
তথ্য যাচাই করে জানা যায়, আলোচিত ভিডিওটি ভোলার কোনো ঘটনার নয়।
প্রকৃতপক্ষে, এটি নারায়ণগঞ্জে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে এক নারীকে আটক করার ঘটনার ভিডিও, যা ভিন্ন দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘jahidul_islam_sane’ নামে একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়, যার সঙ্গে ভাইরাল ভিডিওটির মিল রয়েছে।
ভিডিওটির ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, এটি নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় অবস্থিত আল জয়নাল ট্রেড সেন্টারের টেকনো মোবাইল শোরুম থেকে মোবাইল ফোন চুরির সময় এক নারীকে হাতেনাতে আটকের দৃশ্য।
পরে ‘Tecno Narayanganj’ নামে একটি ফেসবুক পেজে ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এক পোস্টেও একই দাবি করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ৬ ফেব্রুয়ারি তাদের দোকান থেকে মোবাইল ফোন চুরির সময় ওই নারীকে আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে সংশ্লিষ্ট সূত্রে যোগাযোগ করা হলে ইমন নামে এক ব্যক্তি জানান, ওই নারী মোবাইল ফোন চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েন। তিনি চুরির ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও দেখান, যা পর্যালোচনা করে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা নারীর সঙ্গে মিল পাওয়া যায়।
সুতরাং, নারায়ণগঞ্জে মোবাইল ফোন চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়া এক নারীর ভিডিওকে ভোলায় সুদের টাকা না দেওয়ায় যুবদল নেতার নির্যাতনের দৃশ্য হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।



