সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির মামলায় মঈনসহ ৭ জন কারাগারে

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির মামলায় মঈনসহ ৭ জন কারাগারে
রাজধানীর শ্যামলীতে সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় অভিযুক্তদের রিমান্ড শেষে পাঠানো হয়েছে কারাগারে।
আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম শুনানি শেষে গ্রেপ্তার সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে জামিন নামঞ্জুর করে দেন এ আদেশ।
রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. ছাব্বির আহমেদ তাদের কারাগারে আটক রাখার জানান আবেদন। অপরদিকে আসামিপক্ষ জামিন আবেদন করলে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তা করেন নামঞ্জুর।
এর আগে, গত ১৩ এপ্রিল চার আসামি ফালান, রুবেল, ফারুক ও লিটনের চার দিনের রিমান্ড করা হয় মঞ্জুর। পরদিন ১৪ এপ্রিল মঈন, স্বপন ও শাওনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১১ এপ্রিল হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় করেন মামলা। এতে মঈন উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে করা হয় আসামি।
অভিযোগে বলা হয়েছিল, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা বাদীকে দেন ভয়ভীতি ও হুমকি। এর ধারাবাহিকতায় গত ১০ এপ্রিল সকালে শ্যামলীর বাসার সামনে গিয়ে পুনরায় দাবি করা হয় চাঁদা। এ সময় বাদীর পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয় এবং করা হয় অশোভন আচরণ।
পরবর্তীতে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে মঈনসহ তার সহযোগীরা লোকজন জড়ো করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে চেষ্টা করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির। তারা স্লোগান, গালাগাল ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালায়। এমনকি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনেও উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়, যা স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।



