জ্বালানি সংকট : পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে দেশে দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেলের সংকট। তেল নিতে শাহবাগে একটি পাম্পে ভিড় করেছেন মোটরসাইকেল ও গাড়ির চালকেরা। ছবি: আশিকুর রহমান
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গিয়েছে। ফলে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়।
এ অবস্থায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজধানীর শাহবাগের একটি পেট্রোল পাম্পে ভীড় করতে দেখা যায় মোটরসাইকেল ও গাড়ির চালকদের।
একদিকে চলছে চৈত্রের তাপপ্রবাহ। অপরদিকে তেল সংকটের কারণে ফিলিংস্টেশনগুলোয় চালকদের দীর্ঘ লাইন, এ যেন তথৈবচ অবস্থা।
সরেজমিনে দেখা যায়, তীব্র গরমে কেউ দরদর করে ঘামছেন। এক মোটরসাইকেল চালক রোদের তাপ থেকে বাঁচতে মাথায় দিয়েছেন রুমাল।
রোদের তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে কারও মাথায় ছাতা।
অপেক্ষায় থেকে থেকে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছেন এক গাড়ির চালক।
কারও কারও চেহারায় ফুটে ওঠেছে ক্ষোভ,
কারও চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ, কেউবা বিরক্ত। হঠাৎ করেই চেচিয়ে ওঠেন এক বাইক
আরোহী।
এ চিত্র এখন বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি
ফিলিংস্টেশনে। জ্বালানির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন লোকজন।
গতমাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) জারি করা নির্দেশনা অনুায়ী, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।
বিপিসির বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ লিটার পেট্রোল বা অকটেন নিতে পারবেন মোটরসাইকেল আরোহীরা।



