সরকার পাল্টালে কেন বদলে যায় ‘রাজনৈতিক ইতিহাসের বই’

ছবিঃ আগামীর সময়
গত বছরও জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে শতাধিক বই প্রকাশ হয়েছিল অমর একুশে বইমেলায়। এবার সেই ধারাটা যেন অনেকটা কমে গেছে, মেলার মাঠে ঘুরে দেখা গেছে হাতেগোনা কয়েকটা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে বই এসেছে।
এর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ঘিরে যে শত শত বই লেখা হয়েছিল, মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে তাও যেন ‘হাওয়া’।
বরং এবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বেশ কিছু বইমেলার বিভিন্ন স্টলে প্রদর্শিত হচ্ছে, যা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনের সময় কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও দেখা যায়নি।
সরকার পাল্টালে বই প্রকাশের ক্ষেত্রে কেন এমন হয়? মেলার মাঠে কথার ছলে এই প্রশ্ন তোলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাফসা আলম।
হাফসা বলছিলেন,‘আমাদের দেশের দুর্ভাগ্য যে জুলাই অভ্যুত্থানের পরও মত প্রকাশের স্বাধীনতা আসেনি। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মুজিব জন্মশতবর্ষে যে শত শত বই প্রকাশ হয়েছিল, সেগুলো এখন কোথায়? গত বছর জুলাই নিয়ে বই প্রকাশের হিড়িক ছিল। এবার তো তাও নেই। অথচ জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে আমাদের নিরপেক্ষ গবেষণাধর্মী অনেক বই আসা উচিত।’
‘নির্ভয়ে গবেষণা করার পরিবেশের’ কথা উল্লেখ করে লেখক ও গবেষক সালেক খোকন জানালেন, ‘সব মত ও পথের কথা বলবার অধিকার রাখতে হবে। বঙ্গবন্ধু, ভাসানী, জিয়াউর রহমান কিংবা তাজউদ্দীন আহমেদের মতো মুক্তিযুদ্ধের মহানায়কদের নিয়ে নির্ভয়ে গবেষণা করার পরিবেশ থাকতে হবে। একটি স্বাধীন দেশে শত মতের শত ফুল ফুটতে দিতে হবে।’
আর গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ মনে করছেন, ‘মানহীন বই সময়ের স্রোতে এমনিতেই হারিয়ে যায়। যেগুলো মানসম্পন্ন, তা টিকে থাকে। এটাই ইতিহাসের সত্য।’
প্রকাশকরা কী ধরনের বই প্রকাশ করবে, তা দেখার এখতিয়ার বাংলা একাডেমির নয় বলছেন একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
মহাপরিচালক আজম মনে করেন, ‘কোন প্রকাশনা সংস্থা সারা বছর কি বই প্রকাশ করে, তা তো বাংলা একাডেমি ঠিক করে দিতে পারে না। সারা বছর প্রকাশিত সব সৃজনশীল বই-ই মেলায় আসতে পারে। এখন প্রকাশনা সংস্থা ঠিক করবে, তারা কি বই প্রদর্শন করবে বা বিক্রি করবে। আর বইমেলার জন্য একটা নীতিমালা আছে, মেলা কমিটি সে অনুযায়ী মেলা পরিচালনা করবে। নীতিমালা অনুযায়ী বইমেলা পরিচালনা করাটাই মেলা কমিটির কাজ।’
গণঅভ্যুথানের বই কম
মেলার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ইনকিলাব মঞ্চ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুটি আলাদা স্টল আছে। ইনকিলাব মঞ্চের স্টলের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এবার মেলায় কোনো নতুন বই প্রকাশ করেনি। তবে গত বছর জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত বই তাদের স্টলে আছে।
ইনকিলাব সেন্টার থেকে তিনটি বই গত বছর প্রকাশ হয়েছিল। ইনকিলাব মঞ্চের স্টলে ‘টি-শার্টসহ অন্যান্য কিছু পণ্য বিক্রি হচ্ছে, যেগুলোতে ওসমান হাদি এবং জুলাই নিয়ে কিছু শিল্পকর্ম আছে।’
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মন্দিরের গেইট দিয়ে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে ‘জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন’র স্টল। এই স্টলে এসে জুলাই অভ্যুত্থানের স্লোগান নিয়ে লেখা কোনো বই আছে কিনা, খোঁজ করছিল আনিসা নামে ভিকারুন্নিসা স্কুলের এক শিক্ষার্থী। কিন্তু স্টল থেকে তথ্য জানাতে পারেনি।
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের স্টলে জুলাইয়ের গ্রাফিতি নিয়ে বই বা কিছু স্মরণিকা আছে। তবে নতুন বই প্রকাশ হয়নি বলে জানায় স্টলের কর্মীরা।
বইমেলার জনসংযোগ বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রোববার পর্যন্ত তথ্যকেন্দ্রে নতুন বই জমা পড়েছে ৮৩৩টি। এর মধ্যে গণঅভ্যুথান নিয়ে প্রকাশিত কোনো বইয়ের তথ্য নেই মেলা কমিটির কাছে।
তবে মেলার মাঠে ঘুরে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে লেখা কয়েকটি বইয়ের সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রকাশনা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত বছরের বইমেলায় শতাধিক বই এসেছিল জুলাই অভ্যুথান নিয়ে। এবার সেই তুলনায় এসেছে হাতেগোনা কয়েকটি।
মুক্তিযুদ্ধের বই প্রকাশেও দ্বিধা-সংশয়?
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বইয়ের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই প্রকাশও বেড়েছিল। তবে এবারের মেলায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই প্রকাশও কমেছে।
মেলার জনসংযোগ বিভাগ বলছে, এবারের মেলায় মাত্র ১টি মাত্র মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই প্রকাশ হয়েছে। তবে মেলার মাঠে ঘুরে ১২টি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নতুন বইয়ের সন্ধান পাওয়া গেছে। আরো কয়েকটি বই প্রকাশ হওয়ার অপেক্ষায় আছে বলে জানিয়েছেন প্রকাশনা সংশ্লিষ্টরা।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই প্রকাশ কম হওয়ার কারণ হিসেবে কেউ কেউ মনে করছেন, বিগত সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা, ‘মব’সহ বিভিন্নভাবে মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান বা অপমান করার মতো ঘটনায় গবেষকরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বই প্রকাশে দ্বিধা বা সংশয়ে ছিলেন। তবে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নানা রকম গবেষণার কাজ হয়েছে, যা পরে বই আকারে আসতে পারে।
প্রাবন্ধিক ও গবেষক মামুন সিদ্দিকী বলছিলেন, ‘বই প্রকাশ কম হলেও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ হচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে আমার সঙ্গে এমন একাধিকজনের কথা হয়েছে, যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বইয়ের পাণ্ডুলিপি গুছিয়ে রেখেছেন। কিন্তু নানা রকম বাস্তবতার কারণে এবার মেলায় বই প্রকাশ করা হয়নি। সামনে হয়তো মুক্তিযুদ্ধের বই প্রকাশ বাড়বে। মেলাতেই হয়ত আরো কিছু বই আসবে।’
বঙ্গবন্ধু বিষয়ক এত বই, মেলার মাঠে নেই
‘মুজিব জন্মশতবর্ষে’ বাংলা একাডেমি থেকেই শতাধিক বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বই প্রকাশ হয়েছিল। যার মধ্যে ‘আমার দেখা নয়া চীন’, ‘কারাগারের রোচনামচা’সহ কিছু বই গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে গবেষকদের অনেকে মনে করেন।
মেলায় বাংলা একাডেমির স্টলে গিয়ে পাওয়া যায়নি বঙ্গবন্ধু বিষয়ক কোনো বই। স্টলের বিক্রয়কর্মীরা নাম প্রকাশ করে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, নজরুল ইন্সটিটিউটসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকেও বঙ্গবন্ধু বিষয়ক অনেক বই প্রকাশিত হয়েছিল। সে সময় মেলাগুলোতে প্রায় সব প্রকাশনা সংস্থার স্টলে ছিল বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বই প্রকাশের প্রতিযোগিতা।
মেলার মাঠে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায়, খালেদা জিয়া, জিয়াউর রহমান, তারেক রহমানকে নিয়ে বই প্রদর্শন করা হচ্ছে। অথচ বছর পাঁচেক আগেই এসব স্টলে বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বই, শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা বইয়ের ছড়াছড়ি ছিল।
মেলা পরিচালনা কমিটির নতুন বইয়ের তালিকায় বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বই নামে একটি আলাদা ক্যাটাগরিই রাখা হত তখন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে মেলার ক্যাটাগরি থেকে বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বই বাদ দেওয়া হয়েছে।
তবে ব্যতিক্রম দেখা গেল কয়েকটি স্টলে। দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) থেকে প্রকাশ হয়েছিল ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি। ইউপিএল এর স্টলে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীসহ কয়েকটি বই বিক্রি হতে দেখা যায়।
মেলার মাঠে এক ডজন প্রকাশনা সংস্থার স্টলে গিয়ে দেখা গেছে, তাদের স্টলে বঙ্গবন্ধু বিষয়ক কোনো বই প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে না। অথচ ‘মুজিব জন্মশতবর্ষে’ বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বই প্রকাশ করেছিল তারা।
নাট্যকর্মী মাহফুজ সুমন মনে করেন, ‘নির্ভয়ে লেখা এবং বই প্রকাশের পরিবেশ এখনো আসেনি। এখনো তো ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোর কারণে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়, এমন বাস্তবতায় কি নির্ভয়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বা বঙ্গবন্ধু নিয়ে লেখালেখি করা যাবে? এজন্যই স্তুতি বা প্রশংসামূলক বইয়ের ছড়াছড়ি। সমালোচনামূলক বা নিরপেক্ষ গবেষণাধর্মী বইয়ের জন্য পরিবেশ লাগবে।’
মেলায় মহিউদ্দিন আহমদের লেখা প্রথম উপন্যাস ‘শেখ মুজিবের লালঘোড়া’ প্রকাশ করেছে অনন্যা। এছাড়া ‘হাসিনা’ নামে আরেকটি বই প্রকাশ করেছে বাতিঘর। বইটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উত্থান-পতন এবং তার শাসনকালের একটি বস্তুনিষ্ঠ ও গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণ করা হয়েছে৷
গবেষক সালেক খোকন বলেন, ‘সাম্পতিক সময়ে বিভিন্ন জায়গায় মুক্তিযুদ্ধকে অপমান, অসম্মান করার নানা ঘটনা ঘটেছে। বিগত দেড় বছরে ‘মব’সহ নানা ঘটনার কারণে মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে যেসব ঘটনা ঘটেছে, তাতে অনেকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বই প্রকাশের হয়তো সাহস করেননি।’
‘অসম্মানমূলক ঘটনা ঘটিয়ে আপনি কখনই সম্মানের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। জুলাই গণঅভ্যুথানের পর তো আমরা দেখেছি বঙ্গবন্ধুকে নানাভাবে অসম্মান করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা হয়েছে। ফলে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কথা বলা, প্রচার বা প্রকাশে একটা ভয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তখন থেকেই।’
নতুন বই ৭৫টি
রোববার ছিল অমর একুশে বইমেলার ১১তম দিন। মেলা চলে দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। মেলার তথ্যকেন্দ্রে রোববার নতুন বই জমা পড়েছে ৭৫টি। বিকাল ৩টায় বইমেলার মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় আসাদ চৌধুরী শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুদরত—ই—হুদা। আলোচনায় অংশ নেন সৈকত হাবিব। সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ আজিজুল হক।
কুদরত—ই—হুদার ভাষ্যমতে, ‘কবি আসাদ চৌধুরী দীর্ঘ আশি বছর পুরোদস্তুর একজন কবির জীবনযাপন করেছেন। তাকে বাংলাদেশের ভাষা, সাংস্কৃতিক ইতিহাস আর নিজস্ব কাব্য প্রগতির সঙ্গে সহজেই মিলিয়ে পাঠ করা যায়।’
সৈকত হাবিব মনে করেন, ‘বাংলা সাহিত্য—সংস্কৃতিতে তার অবদান সুদূরপ্রসারী। তিনি ছিলেন একজন গণমানুষ—প্রেমিক ব্যক্তিত্ব। একাধারে কবি, শিশু সাহিত্যিক, অনুবাদক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক ও জনপ্রিয় উপস্থাপক আসাদ চৌধুরী সব ক্ষেত্রেই তার মৌলিক প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। তবে সবকিছু ছাপিয়ে তার শারীরিক ও বাচনিক ব্যক্তিত্বই আমাদের স্মৃতিতে প্রবলভাবে হাজির হয়।’
‘কবিতার মধ্য দিয়ে বাঙালির ঐতিহ্যকে তুলে ধরার একটি প্রবণতা কবি আসাদ চৌধুরীর মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। বিচিত্র বিষয়ে লেখার প্রবণতা ছিল তার। তিনি আপামর জনসাধারণের কাছে কবি হিসেবে যতটা না পরিচিত, তার চেয়ে বেশি পরিচিত একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ ও সুবক্তা হিসেবে’— উল্লেখ করেন সৈয়দ আজিজুল হক।
রোববার ‘লেখক বলছি’ অনুষ্ঠানে নিজের বই নিয়ে আলোচনা করেন কবি, গবেষক, সাংবাদিক মাহবুব হাসান। বিকাল ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন রহিমা আখতার কল্পনা। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আলো আরজুমান বানু, ফারজানা এ্যালি।
সংগীত পরিবেশন করেন কল্যাণী ঘোষ, নিপা আক্তার, জাকিয়া সুলতানা স্বর্ণলতা, আরিমা তাবাসসুম, সাধিকা সৃজনী তানিয়া, দিপু সমাদ্দার, মমতা দাসী এবং তাপসী রায়। যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন— জয়সিংহ রায় (তবলা), ডালিম কুমার বড়ুয়া (কী—বোর্ড), এফ. এম. আলমগীরের কবীর (বাঁশি), সুমন কুমার সাহা (অক্টোপ্যাড) এবং জহির উদ্দিন (দোতারা)।
সোমবার মেলা শুরু হবে দুপুর ২টায় এবং চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। বিকাল ৩টায় বইমেলার মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে শহীদুল্লা কায়সার শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন শিবলী আজাদ। আলোচনায় অংশ নেবেন প্রশান্ত মৃধা। সভাপতিত্ব করবেন অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। বিকাল ৪টায় রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

