আগামীর সময়

এবার হত্যাচেষ্টায় মামলায় কারাগারে চাঁদাবাজিকাণ্ডের সেই রাজ্জাক

এবার হত্যাচেষ্টায় মামলায় কারাগারে চাঁদাবাজিকাণ্ডের সেই রাজ্জাক

সংগৃহীত ছবি

সাবেক সংসদ সদস্যের বাসায় চাঁদা দাবির ঘটনায় আলোচনায় আসা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদকে এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার সঙ্গে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিয়াদুল হাওলাদার, আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মহানগর হাকিম দিলরুবা আফরোজ তিথি এ আদেশ দেন।

এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আরমান আলী। আসামিদের পক্ষে এস এম জাকির হোসেনসহ কয়েকজন জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

জামিন শুনানির জন্য রবিবার (১ মার্চ) দিন ধার্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রাজ্জাকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতনামা ১০/২২ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিদের সাথে নির্জন ও তার বন্ধুদের পূর্ব শত্রুতা ছিল। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির চতুর্থ তলায় ৪১২ নম্বর কক্ষে সাক্ষাৎ হলে আসামিরা তাকে (নির্জন) সমাবর্তনে অংশগ্রহনের জন্য বলেন। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শ করার সময়ে রাজ্জাকের হুকুমে আসামি রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তিনি পিঠে ও বুকে আঘাত পান।

এজাহারে বলা হয়, রাজ্জাক সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে নির্জনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখমন্ডলে আঘাত করে। এতে তার নাকে লেগে উপরিভাগ কেটে গুরুতর জখম হয়। এসময় তাকে এলোপাথারি মারধর করা হয়। তখন তার বন্ধুবান্ধব ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি শিক্ষকরা এগিয়ে এলে আসামিরা নির্জনকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়। পরে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করে নিয়ে যায়।

এর আগে, গত বছরের ২৬ জুলাই গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদা দাবির মামলা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন রাজ্জাক।

    শেয়ার করুন: