নিখোঁজ ব্যবসায়ীর স্ত্রীর অভিযোগ
আমার স্বামীর লাশ ইটভাটায় পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে

ছবি: আগামীর সময়
নিখোঁজ হওয়ার এক বছরেও সন্ধান মেলেনি নোয়াখালীর চাটখিলের ইটভাটা ব্যবসায়ী জাবেদ হোসেনের। স্ত্রী শারমিন আক্তার রুপার অভিযোগ, তার স্বামীকে অপহরণের পর হত্যা করে প্রমাণ নষ্ট করতে ইটভাটায় পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে মরদেহ।
গত বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে শারমিন আক্তার রুপা বলেছেন, ‘গত বছরের ১৪ মার্চ বিকেলে ব্যবসায়িক আলোচনার কথা বলে ৯ নম্বর দেওটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদ আলমের নেতৃত্বে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয় জাবেদ হোসেনকে। বাড়ির পাশের ইটভাটায় আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন ১০ নম্বর আমিশাপাড়া ইউনিয়নের আবিরপাড়ার আশরাফ আহমেদ, ঘাসেরখিল গ্রামের হাবিবুর রহমান কিরণ, শিক বাবু, আনোয়ার হোসেন, সাতঘরিয়া গ্রামের মো. রাজু এবং শিবপুর গ্রামের ওসমান গণি সাগর। জাবেদকে ডেকে নিয়ে ইটভাটা বুঝিয়ে দিতে বলেন তারা। তারা বলতে থাকেন, ‘তুই যদি ইটভাটা লিখে না দিস, তাহলে তোকে ইটভাটায় পুড়িয়ে মারা হবে। পরে বাড়িতে এলে আবারও মোবাইলে একই ধরনের হত্যার হুমকি দেওয়া হয় জাবেদকে।’
‘পরদিন আমার স্বামী জাবেদ বাসা থেকে বের হলে সন্ত্রাসী রাশেদ ও আশরাফের নেতৃত্বে ৮-১০ জন এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে তাকে। পরে তাকে হত্যা করে নাহারখিল ইটভাটায় মরদেহ পুড়িয়ে ফেলেন তারা, যা পরে লোকমুখে জানতে পেরেছি। বিষয়টি থানায় জানালেও গুরুত্ব দেয়নি পুলিশ,’ বলছিলেন তিনি।
শারমিন জানিয়েছেন, এ ঘটনার পর আদালতে মামলা করেছেন তিনি। মামলার কপি থানায় দিলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। এ অবস্থায় নিরাপত্তাহীনতায় তিন সন্তান নিয়ে ফেরারি জীবনযাপন করছেন তিনি।



