আগামীর সময়

ময়মনসিংহের দুই আসনের ফল চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে দুই প্রার্থী

ময়মনসিংহের দুই আসনের ফল চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে দুই প্রার্থী

সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহের দুটি আসনের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে দুই প্রার্থী হাইকোর্টে নির্বাচনী আবেদন করেছেন। হাইকোর্ট সেই দুটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আবেদনকারী দুই প্রার্থী হলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল আহসান এবং ময়মনসিংহ-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আখতারুল আলম।

আদালতে কামরুল আহসানের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন এবং আখতারুল আলমের পক্ষে আইনজীবী মো. শামীম দরজী শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, হাইকোর্ট আবেদন দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন এবং আগামী ২২ জুন শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। সেখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল আহসান পান ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮০ ভোট। ভোটে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন।

আইনজীবী বেলায়েত হোসেন জানিয়েছেন, হাইকোর্ট ওই আসনের ব্যালট পেপার, ব্যালট বক্স ও নির্বাচনী সামগ্রী সংরক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

অন্যদিকে ময়মনসিংহ-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. কামরুল হাসান ৭৭ হাজার ৩২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতার সুলতানা পান ৫৩ হাজার ৩৩১ ভোট এবং বিএনপির প্রার্থী আখতারুল আলম পান ৪৯ হাজার ৪৭৬ ভোট। ভোটে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে আখতারুল আলমও ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন।

নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে তিনি হাইকোর্টে নির্বাচনী আবেদন করতে পারেন। নির্বাচনসংক্রান্ত এসব আবেদন শুনানির জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টে একক বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৩৬ প্রার্থীর করা ৩৬টি নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ। সোমবার আরও দুটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হলো।

    শেয়ার করুন: