দেশে অবৈধ মজুদের আড়াই লাখ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার

ফাইল ছবি
জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে দেশজুড়ে চলছে অভিযান। এ পর্যন্ত সারা দেশে অবৈধভাবে মজুদ ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
‘জনগণের মধ্যে এখনও অতিরিক্ত জ্বালানি তেল কেনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অনেকেই বাড়তি তেল কিনে বাসাবাড়িতে মজুদ করছেন... চাহিদার অনুপাতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। অথচ জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে’- বললেন তিনি।
ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও দুই কার্গো জ্বালানি তেল আসবে বলে জানালেন মনির হোসেন।
‘রাশিয়া থেকে পরিশোধিত ৬ লাখ টন জ্বালানি তেল আনতে সাংশন ওয়েভার দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে চিঠি দিয়েছে সরকার। ঈদের পরদিন ওয়াশিংটনকে এই চিঠি দেয়া হয়। এখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে উত্তরের অপেক্ষা করছে সরকার।’
যুগ্মসচিবের তথ্য, বর্তমানে দেশে ১ লাখ ৩৩ হাজার টন জ্বালানি মজুদ আছে। এপ্রিলে কয়েকটি জাহাজে ১ লাখ ৫৪ হাজার টন তেল আসবে।
এর আগে অবৈধভাবে তেল মজুদকারীদের ধরতে লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে এ বার্তা।
বলা হয়েছে, অবৈধ মজুতদারির ব্যাপারে তথ্যদাতাকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পুরস্কার দেবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। গোপন রাখা হবে তথ্যদাতার পরিচয়।

