সংসদের নতুন সাউন্ড সিস্টেম ‘বোঝা’ : জামায়াত এমপি

সংগৃহীত ছবি
জাতীয় সংসদে নতুন সাউন্ড সিস্টেমে বাজেটের অপচয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। এই যন্ত্র ঘিরে লুটপাটের অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
সংসদে রবিবার অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় বৈঠকটি। সেখানে হেডফোন দেখিয়ে মন্তব্য করেন এমপি শাহজাহান।
‘এখন এত বড় বোঝা। এটা মনে হয় একটা বাজেট করেছিল, আর ওখান থেকে লুটপাট বাহিনীরা একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছেন... আমরা তো আরও দুইবার সংসদে এসেছি, আপনিও এসেছেন। কিন্তু এত বড় একটা বোঝা মাথার ওপর দিয়ে এক-দুই ঘণ্টা বসা সবার জন্য কষ্টকর হচ্ছে।’
‘এত বড় বোঝার দরকার নেই। একটা সাধারণ হেডফোন দিলেই আমরা শুনতে পারি। অথবা হেডফোন ছাড়াই সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিক করলে আরও ভালো হয়’- মত দেন চট্টগ্রাম- ১৪ আসনের এমপি।
বিষয়টি বিবেচনা করে দেখা হবে বলে জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে সচল হয় সংসদের কার্যক্রম। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে গত বৃহস্পতিবার। এদিনই সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে অভিযোগ ওঠে।
সেদিন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠক শুরু হলে মাইক্রোফোনে বিভ্রাট দেখা দেয়। কিছুক্ষণ হ্যান্ডমাইকে অধিবেশন পরিচালনা করেন তিনি। পরে প্রায় ২০ মিনিটের জন্য অধিবেশন মুলতবি করেন।
বিরতির পর অধিবেশন শুরু হলেও সংসদ কক্ষের সব মাইক্রোফোন স্বাভাবিক হয়নি বলে একাধিক সংসদ সদস্য স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।
‘এই হেডফোনের মান এতটাই ভয়াবহ যে ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা ধরেছে। সাউন্ড কোয়ালিটি এমন নিম্নমানের, সংসদের পুরোনো ডিভাইস এর চেয়ে পরিষ্কার অডিও দিত নিশ্চয়ই’- অধিবেশনের পর ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম।

