কামিন্সকে নিয়ে দুশ্চিন্তার মেঘ কাটল হায়দরাবাদের

এবার আইপিএলে গতির ঝড় তুলবেন প্যাট কামিন্স।
প্যাট কামিন্সকে নিয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদে এলো সুখবর। চলতি মাসের শুরুর দিকে পূর্বনির্ধারিত স্ক্যান করাতে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন। সিডনিতে করা সর্বশেষ পিঠের স্ক্যান রিপোর্টে আশাব্যঞ্জক ফল আসায় আইপিএলে ফেরার সবুজ সংকেত পেয়েছেন এই অজি গতিতারকা। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের শেষ দিকেই আবারও হায়দরাবাদের নেতৃত্বে দেখা যাবে তাকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা পরিবারের সঙ্গে ব্লু মাউন্টেনসে ছুটি কাটানোর একটি ছবিতে ভক্তের মন্তব্যের জবাবে কামিন্স নিজেই আইপিএলে ফেরার দিনক্ষণ জানিয়েছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী শুক্রবারই ভারতের বিমানে উঠছেন। আগামী ২৫ এপ্রিল জয়পুরে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তার আইপিএলের মাঠে নামার কথা আছে।
গত বছরের আগস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের সময় পিঠে ব্যথা অনুভব করেছিলেন কামিন্স। পরে ধরা পড়ে ‘লাম্বার বোন স্ট্রেস’। এই চোটের কারণে গত জুলাই থেকে তিনি মাত্র একটি ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন। সেটা ছিল অ্যাশেজের অ্যাডিলেড টেস্ট। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বা আইপিএল - সর্বত্রই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ফিটনেস। তবে সর্বশেষ মেডিকেল রিপোর্টে সেই চোট সেরে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
কামিন্সের অনুপস্থিতিতে কিপার-ব্যাটার ঈশান কিষান হায়দরাবাদকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত ৫ ম্যাচের ২টিতে জিতে টেবিলের চার নম্বরে থাকা দলটি অধিনায়কের অভাব বোধ করছিল। বিশেষ করে পাঞ্জাবের বিপক্ষে ২১৯ রান তুলেও হারতে হওয়ায় বোলিং আক্রমণে কামিন্সের মতো একজন ক্ষুরধার নেতার অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
মাঠে না নামলেও আইপিএলের শুরু থেকেই হায়দরাবাদ দলের সঙ্গে ছিলেন কামিন্স। হায়দরাবাদের অনুশীলন সেশনেও তাকে দেখা গেছে। কামিন্সকে নিয়ে হায়দরাবাদের প্রধান কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টরি বলেছেন, ‘প্যাটের দলের সঙ্গে থাকা আমাদের জন্য বড় পাওয়া। মাঠের বাইরে থেকেও ও ঈশানের সঙ্গে অধিনায়কত্বের ধরন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে নিয়মিত কথা বলেছে, যা ঈশানের কাজ সহজ করে দিয়েছে।’
কামিন্সের ফেরার খবরের পাশাপাশি অন্য অজি তারকাদের নিয়েও আপডেট পাওয়া গেছে। জশ হ্যাজেলউড আরসিবির হয়ে মাঠে ফিরলেও তার ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের ওপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, কাঁধ ও কনুইয়ের ইনজুরিতে ভোগা মিচেল স্টার্ক এখনও দিল্লি ক্যাপিটালসে যোগ দিতে পারেননি।
আগামী আগস্ট থেকে পরবর্তী বছরের জুলাই পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে অন্তত ২০টি টেস্ট খেলতে হবে। এই ব্যস্ত সূচিতে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ভারত এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ ছাড়াও রয়েছে এমসিজিতে ১৫০তম বর্ষপূর্তি টেস্ট। তার আগে কামিন্সের পূর্ণ ফিটনেস ফিরে পাওয়া যেমন হায়দরাবাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি অস্ট্রেলিয়ার জন্যও বড় স্বস্তি।



