‘বাকি ৩৫ লাখ টাকা কি মরার পর চল্লিশায় দিবেন?’

জাতীয় দলের তারকা স্পিনার নাসুম আহমেদ।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গত আসরের পারিশ্রমিক নিয়ে কেলেঙ্কারির সমাধান এখনো হয়নি। সিলেট টাইটান্স ফ্র্যাঞ্চাইজি জাতীয় দলের স্পিনার নাসুম আহমেদকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়নি বলে ফের অভিযোগ উঠেছে। এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় চুক্তিপত্র প্রকাশ করে নাসুম দাবি করেছেন, তার চুক্তির বাকি ৩৫ লাখ টাকা ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষ এখনো পরিশোধ করেনি।
কিছুদিন আগে বিষয়টি গণমাধ্যমে উঠে এলে এক বিজ্ঞপ্তিতে সিলেট দাবি করেছিল, ‘বিপিএল ২০২৫-২৬ মৌসুমে খেলোয়াড়দের পাওনা-সংক্রান্ত বিষয়টি গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কার্যালয়ে চূড়ান্তভাবে সুরাহা হয়েছে। নির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী, ক্রিকেটার নাসুম আহমেদের মোট পাওনা ৩৫ লাখ টাকা (বি-ক্যাটাগরি), যার সম্পূর্ণ অংশ সিলেট টাইটান্স এরই মধ্যে পরিশোধ করেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে উক্ত ক্রিকেটারের কোনো বকেয়া প্রতিষ্ঠানের কাছে অবশিষ্ট নেই।’
তবে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাসুম দাবি করেন, তিনি এখনো ৩৫ লাখ টাকা পান। প্রমাণ হিসেবে সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক মাহিদুল ইসলাম সামির সঙ্গে তার হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের স্ক্রিন রেকর্ড করেও পোস্ট করেছেন। নাসুম লিখেছেন, ‘হ্যালো টাইটান্স। আমার ৩৫ লাখ টাকা তো দিয়েছেন, সরাসরি চুক্তির বাকি ৩৫ লাখ টাকা কি দিবেন? নাকি মরার পর চল্লিশার সময় দিবেন? দিলেও সেটা আমাকে জানাবেন দয়া করে, যেন আমি আমার ফ্যামিলিকে বলে যেতে পারি; সিলেট টিমের মালিক মাহিদুল ইসলাম সামি আমার টাকা দিবে আমি মরার পর।’ সিলেট টাইটান্সের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ফাহিম আল চৌধুরীকে উদ্দেশ করে নাসুম লিখেছেন, ‘ফাহিম ভাই, আপনাকে সালাম। আমি জানি আপনি ব্যস্ত। একটু সময় হলে দয়া করে ভয়েসগুলো শুনবেন— আপনাকে নিয়ে আমি কী কী কথা বলেছি, আর তারা আমার সঙ্গে কী কথা বলেছে। আপনার কাছে আমার কিছু চাওয়ার নেই। আপনি আমাদের এলাকার মানুষ, বড় ভাই হিসেবে আপনি একটা দল গড়ে তুলেছিলেন, সেই জায়গা থেকে ছোট ভাই হিসেবে আপনাকে জানালাম।’
শেষে নাসুম লিখেছেন, ‘ভাই, আমার টাকাগুলো যেন পাই— এই বিষয়ে একটু দেখবেন। আমার কথা বলার মতো কেউ নেই। আল্লাহর শুকরিয়া, আপনার নাম্বারটা পেয়েছি, দুই মিনিট কথা বলতে পেরেছি। আপনার সময় নেই বলে বেশি কথা হয়নি। তবে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই যে আপনি দুই মিনিট হলেও আমাকে সময় দিয়েছেন।’





