রঘুবংশী ছুরে মারলেন ব্যাট
রিঙ্কুর ৫ ছক্কা ৫ ক্যাচের ম্যাচে সুপার ওভারে বাজিমাত কলকাতার

৫ ছক্কা ৫ ক্যাচে নায়ক রিঙ্কু সিং। ছবি: সংগৃহীত
এবারের আইপিএল দেখল প্রথম সুপার ওভার। লখনৌ-কলকাতার ম্যাচ গড়াল সুপার ওভারে। কলকাতার ৭ উইকেটে ১৫৫ রানের জবাবে ৮ উইকেটে ঠিক ১৫৫ রানে থামে লখনৌ।
সুপার ওভারে সুনিল নারিন ৩ বলে ২ উইকেট নিলে লখনৌ গুটিয়ে যায় মাত্র ১ রানে। জবাবে প্রথম বলে বাউন্ডারি মেরে কলকাতাকে টানা দ্বিতীয় জয় এনে দেন রিঙ্কু সিং।
ম্যাচের নায়ক আসলে তিনিই। তার ৫ ছক্কা ৭ বাউন্ডারিতে ৫১ বলে ৮৩* রানের ইনিংসে কলকাতা পেয়েছিল ১৫৫ রানের জুটি। এরপর ফিল্ডিংয়ে ২০ ওভারে নেন ৪টি ক্যাচ। সুপার ওভারে ক্যাচ নেন আরও একটি। ৫ ছক্কা আর ৫ ক্যাচে ম্যাচ সেরা হন তিনিই।
রিঙ্কুর নায়ক হওয়ার আগে মেজাজ হারিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছেন কলকাতার ব্যাটার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। পঞ্চম ওভারের শেষ বল মিড অনের দিকে ঠেলে রান নিতে ছুটেছিলেন তিনি। তাকে ফেরত পাঠান ক্যামেরন গ্রিন। অঙ্গকৃশ সঙ্গে সঙ্গে ঘুরে দাঁড়িয়ে ক্রিজের দিকে ছুটতে শুরু করেন। শেষ মুহূর্তে ডাইভ দেন। তার আগেই মোহাম্মদ শামির থ্রো তার পায়ে লাগে।
মেজাজ হারিয়ে ব্যাট ছুরে মারেন রঘুবংশী। ছবি: সংগৃহীত
লখনৌর ক্রিকেটারেরা আবেদন করেন, ইচ্ছা করে বলের সামনে এসে রান আউট থেকে বাঁচতে চেয়েছেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী । তৃতীয় আম্পায়ার রিপ্লে দেখে জানান, ক্রিজে ফেরার আগে নিজের গতিপথ বদল করেন রঘুবংশী । বৃত্তাকারে ঘুরে গিয়ে ক্রিজে ফেরার চেষ্টা করেন তিনি। তাই অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড আউট হন তিনি।
এটা মানতে না পেরে আম্পায়ারদের সঙ্গে তর্ক করেন রঘুবংশী। ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় মাটিতে সজোরে ব্যাট ছুরে ফেলেন তিনি। ছুরে ফেলেন হেলমেট আর গ্লাভসও।
ডাগআউটে বসে থাকা কোচ অভিষেক নায়ার এবং সহকারী কোচ শেন ওয়াটসনও ক্ষোভে ফুঁসছিলেন তখন। অভিষেককে দেখা যায় হাত-পা নেড়ে উত্তেজিত ভাবে চতুর্থ আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলতে। এমন আচরণে শাস্তির শঙ্কায় এখন রঘুবংশী ও অভিষেক।




