বিসিবি নির্বাচনে অনেক অসঙ্গতি পেয়েছে তদন্ত কমিটি

শনিবার এনএসসিতে বিসিবি নির্বাচনের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। ছবি: আগামীর সময়
বিসিবি নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে। নির্ধারিত সেই সময়ের একদিন আগেই শেষ হয়েছে তদন্ত। রবিবার সকালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে প্রায় ১৮০০ পৃষ্টার প্রতিবেদন জমাও দিয়েছে তদন্ত কমিটি। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের একান্ত সচিব মো: কবির খাঁনের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে থাকা এই কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে বিসিবি নির্বাচনে বেশ কিছু অসঙ্গতি উল্লেখ করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
তদন্ত কমিটির একটি সূত্র আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, ‘আমরা তদন্ত্র প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। খুব শীঘ্রই আপনারা এনএসসি থেকে প্রতিবেদনের মূল বিষয়টি জানতে পারবেন। সেখানে নির্বাচনের নিয়মে বেশ কিছু অসঙ্গতি দেখা গেছে। আমাদের পক্ষ থেকে সেসব জায়গা তুলে ধরা হয়েছে। এখন এনএসসি থেকেই আপনাদের নির্বাচন বা তদন্তের পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’
তদন্ত প্রতিবেদনে ত্রুটি থাকায় চলতি বিসিবি বোর্ডকে যে কোন সময় অবৈধ ঘোষনা করতে পারে এনএসসি। তখন অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন দিয়ে নতুন বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে পারবে সরকার।
প্রতিবেদন জমা দেওয়া শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির প্রধান আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে আলোচনার জন্য ডাকা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। এছাড়া নির্বাচন কমিশনারদের কাছ থেকে লিখিত জবাব পেয়েছেন তারা। সব মিলিয়ে গঠনতন্ত্রের বেশ কিছু জায়গায় অসঙ্গতি পাওয়ায় তা পরিবর্তন ও সংশোধনের সুপারিশ করেছেন তারা।
বর্তমান নির্বাচন গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন বা সংশোধনের ব্যাপারে আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘আমরা এই তদন্ত প্রতিবেদনে কোন পক্ষকে বা ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করিনি। সবাইকে আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে, অনেকে সশরীরে আসেননি। আমরা শুধু নির্বাচন কি প্রক্রিয়ায় হয়েছে তা তুলে ধরেছি। এর মধ্যে গঠনতন্ত্র নিয়ে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে তা আপনারা এনএসসি থেকেই জানতে পারবেন।’
বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৯ জন পরিচালক থাকলে বোর্ড সচল থাকবে। বর্তমানে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডে আছেন ১৮জন। অবশ্য সরকার সবশেষ নির্বাচনে ত্রুটি দেখলে এই বোর্ড ভেঙে দিতে পারে।



