নেভেসের হ্যান্ডবলেও বায়ার্ন পেনাল্টি পায়নি কেন?

ডিবক্সে হ্যান্ডবল করেছিলেন জোয়াও নেভেস। ছবি: সংগৃহীত
পেনাল্টির জোরালো আবেদন করেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। বিরতির আগে ভিতিনিয়ার শট পিএসজি সতীর্থ জোয়াও নেভেসের হাতে লাগায় বায়ার্ন ধরেই নেয় পেনাল্টি পাচ্ছে তারা। কিন্তু সাড়া দেননি রেফারি।
বায়ার্নের খেলোয়াড়েরা রেফারি জোয়াও পেদ্রো পিনহেইরোকে ঘিরে ধরেছিলেন তখন। কিন্তু সেটা নিজের সতীর্থের শরীর হয়ে আসায় আইনের ফাঁক গলে বেঁচে যায় পিএসজি।
ফুটবলের আইন অনুযায়ী, যদি কোনো সতীর্থের নেওয়া শট হাতে বা বাহুতে লাগে, তবে তা হ্যান্ডবল নয়। সেই বল যদি না সরাসরি প্রতিপক্ষের গোলে ঢুকে যায় অথবা খেলোয়াড়টি এর পরপরই গোল করে, সেক্ষেত্রে অন্য দলকে সরাসরি একটি ফ্রি-কিক দেওয়া হয়।
এই আইনটা স্মরণ করিয়ে বিবিসি স্পোর্টসের ফুটবল রিপোর্টার জনসন বলেছেন,‘এই আইনের আওতায় পড়ে যখন কোনো সতীর্থ অপ্রত্যাশিতভাবে আপনার দিকে বল মারে, এমনকি যদি আপনার হাত শরীর থেকে দূরেও থাকে - আইন অনুযায়ী আপনার পেনাল্টি দেওয়া উচিত নয়। যখন ভিতিনিয়া সজোরে বল ক্লিয়ার করে দেন, জোয়াও নেভেস কি ভেবেছিলেন যে বলটা সরাসরি তার দিকেই আসবে? এই পরিস্থিতিতে পেনাল্টি দেওয়া হবে বলে আশা করা যায় না।’
এ নিয়ে লিভারপুলের সাবেক ডিফেন্ডার স্টিফেন ওয়ারনক বিবিসি রেডিও ৫ লাইভকে বলেছেন,‘এটা একটু অদ্ভুত ব্যাপার। সিদ্ধান্তটা বেশ কয়েকজনকে হতবাক করেছে, আমিও এ নিয়ে জানতাম না। আমার মনে হয়, এই মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের হ্যান্ডবল নিয়ম নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্ত। আমরা প্রায় ভাবছি, এটা দেওয়া হবে কি হবে না? এই মৌসুমে আমরা ঠিক কোন পর্যায়ে আছি, তা আমরা জানি না।’
ব্ল্যাকবার্ন রোভার্স ও চেলসির সাবেক স্ট্রাইকার ক্রিস সাটন যোগ করেন, ‘হ্যান্ডবলের ব্যাপারে, আমি হ্যান্ডবল নিয়মের সমালোচনা করতে চাই না, কিন্তু এটা সত্যিই একটা বোকার মতো নিয়ম। এই আইনের অর্থ আপনি একটা বল লাথি মারতে পারেন এবং বলটা যদি বাতাসে থাকে, তবে আপনি মুষ্টি দিয়ে বলটা আঘাত করতে পারেন এবং এর জন্য আপনাকে শাস্তি দেওয়া হবে না!’




