আগামীর সময়

৪৯৯ রানের ম্যাচ জিতে সঞ্জু কৃতিত্ব দিলেন বুমরাকে

৪৯৯ রানের ম্যাচ জিতে সঞ্জু কৃতিত্ব দিলেন বুমরাকে

রান উৎসব হলো ওয়াংখেড়ে। শুরুতে ব্যাট করে ভারত পায় ২৫৩ রানের পুঁজি। জবাবে ভারতকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন জ্যাকব বেথেল, উইল জ্যাকসরা। শেষ পর্যন্ত বেথেলের সেঞ্চুরি বৃথা করে ৭ রানে জিতে ফাইনালে ভারত। ৭ উইকেটে ২৪৬ রানে থামে তারা। রবিবার ফাইনালে স্বাগতিক ভারতের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড।


সেমিফাইনালে দুই দল মিলে করেছে ৪৯৯ রান, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যা সর্বোচ্চ। একই মাঠে ২০১৬ আসরে ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের ৪৫৯ ছিল আগের সেরা। এই ম্যাচে ছক্কা হয়েছে মোট ৩৪টি- ভারতের ১৯টি, ইংল্যান্ডের ১৫টি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ড এটি।


শেষ তিন ওভারে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৪৫ রান। হাতে ছিল ৫ উইকেট। কিন্তু ১৮তম ওভারে এসে জসপ্রীত বুমরা দিলেন মাত্র ৬ রান। নিজের ৪ ওভারে তিনি দেন ৩৩ রান।


এজন্য ৪২ বলে ৮৯ করে ম্যাচ সেরা হলেও পুরস্কারটা বুমরার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে চান সঞ্জু স্যামসন,‘আমার মতে, ম্যাচের সেরার পুরস্কার বুমরার পাওয়া উচিত ছিল। ২৫০ রান করেও তো হেরে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বুমরার চার ওভার আমাদের জিতিয়ে দিল। ওই চার ওভার না হলে আমরা হেরে যেতাম।’


ম্যাচের তৃতীয় ওভারে জফ্রা আর্চারের বলে মিড-অনে সঞ্জু স্যামসনের ক্যাচ ছাড়েন হ্যারি ব্রুক। ১৫ রানে জীবন পেয়ে ৮৯ রানে থামেন তিনি। ম্যাচ শেষে সেই আফসোসই ঝড়ল ব্রুকের কণ্ঠে, ‘মেনে নিচ্ছি স্যামসনের ক্যাচ ছেড়ে বড় ভুল করেছি। ক্যাচম্যাচ জেতায়, তাই না? দুর্ভাগ্যবশত বলটা আমার হাতে থাকেনি। আমি বারবার স্কোরবোর্ডের দিকে তাকাচ্ছিলাম, মনে মনে ভাবছিলাম, আজ ৮৯ রান করতে হবে আমাকে।’


ইংল্যান্ডকে খেলায় ধরে রেখেছিলেন জ্যাকব বেথেল। ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেন বেথেল। ৮ বাউন্ডারি ও ৭টি ছয়ে ৪৮ বলে ১০৫ রান করেন তিনি। শেষ ওভারে ৪ বলে আর্চার ১৯ রান করলেও শেষরক্ষা হয়নি ইংল্যান্ডের। এর আগে ব্যাট করে সঞ্জু স্যামসনের ৪২ বলে ৮৯, শিবম দুবের ২৫ বলে ৪৩ এবং ইশান কিষাণের ১৮ বলে ৩৯ রানের সুবাদে ৭ উইকেটে ২৫৩ তোলে ভারত।

    শেয়ার করুন: