আগামীর সময়

‘ভাঙনের মুখে’ ইসরায়েলি সেনাবাহিনী

‘ভাঙনের মুখে’ ইসরায়েলি সেনাবাহিনী

সংগৃহীত ছবি

একাধিক ফ্রন্টে চলমান যুদ্ধের চাপের মধ্যে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ‘অভ্যন্তরীণ ভাবে ভেঙে পড়ার’ মুখে রয়েছে বলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ এয়াল জামির সতর্ক করেছেন।

নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে জামির জানান, সেনাবাহিনী গুরুতর অভ্যন্তরীণ সংকটে পড়েছে, বিশেষ করে জনবল সংকট ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।

ইসরায়েলি পত্রিকা ইয়েদিওথ আহরোনোথের প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি সতর্ক করে বলেছেন, রিজার্ভ বাহিনী ‘টিকতে পারবে না’। তিনি সরকারকে কাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানে ব্যর্থতার জন্য সমালোচনা করেন। এসব সমস্যার মধ্যে রয়েছে—হরেদি (অতিধার্মিক ইহুদি) সম্প্রদায়ের বাধ্যতামূলক সেনাসেবা, রিজার্ভ আইন সংশোধন এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার মেয়াদ বৃদ্ধি।

জামিরের ভাষ্য, ‘আমি ১০টি লাল সংকেত দেখছি, যা পরিস্থিতির গুরুতরতা তুলে ধরে।’

তিনি জানান, বর্তমানে সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকা, লেবানন, সিরিয়া এবং পশ্চিম তীরসহ একাধিক ফ্রন্টে সক্রিয় রয়েছে, যেখানে সেনা চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে।

তিনি আরও জানান, পশ্চিম তীরে সহিংসতা বাড়ায় সেখানে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে হচ্ছে, যা ইতোমধ্যেই চাপের মধ্যে থাকা বাহিনীর ওপর আরও বোঝা তৈরি করছে।

জামির উল্লেখ করেন, সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ আইন এখনো পাস হয়নি, ফলে বিদ্যমান বাহিনীর ওপর চাপ আরও বাড়ছে।

তিনি সতর্ক করেন, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও তাদের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম নাও হতে পারে, যা ইসরায়েলের সামরিক প্রস্তুতিতে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

    শেয়ার করুন: