স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীকে ‘হেনস্তা’

ছবি: রয়টার্স
মাদ্রিদের একটি ক্যাফেতে এক ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের স্ত্রী বেগোনা গোমেজকে হেনস্তা করেছেন। এমন অভিযোগে বুধবার মামলা করেছেন তিনি। ওই ব্যক্তি তাকে একটি দুর্নীতি মামলার বিষয়ে প্রশ্ন করে তার মুখোমুখি হয়েছিল।
ইনফ্লুয়েন্সার ভিতো কুইলেসের পোস্ট করা একটি সেলফি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি ক্যাফেতে গোমেজের কাছে যান এবং পরে তাকে অনুসরণ করে রাস্তায় গিয়ে মামলাটি নিয়ে প্রশ্ন করেন। এ সময় দুই নারী তাকে জোরপূর্বক গোমেজের কাছ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেন, তখন গোমেজ একটি ট্যাক্সিতে ওঠেন।
গোমেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হিসেবে তার অবস্থান ব্যবহার করে বিভিন্ন কাজের চুক্তি নিশ্চিত করেছেন। তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং এই মাসে স্পেনের এক প্রসিকিউটর তদন্তকারী বিচারককে মামলাটি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন, যা দায়ের করেছিল ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলো।
বুধবার গোমেজের প্রতি কুইলেসের আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে স্পেনের সমাজতান্ত্রিক সরকার ও রক্ষণশীল বিরোধী দল উভয়ই।
তবে পিপি দলের মুখপাত্র ইস্টার মুনোজ বলেছেন, গোমেজের কাছ থেকে তাকে দূরে রাখার ঘটনায় কুইলেসও ‘একজন ভুক্তভোগী’ এবং তিনি ‘বোঝেন যে কিছু সাংবাদিক গোমেজকে প্রশ্ন করতে চাইতে পারেন’।
গোমেজের বিরুদ্ধে এই মামলাটি সানচেজের বিরুদ্ধে থাকা একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে একটি, যেগুলো এখন বিচারাধীন বা বিচার পর্যায়ে পৌঁছাতে যাচ্ছে। তিনি ইউরোপের অল্প কয়েকজন বামপন্থী নেতার একজন।
এ সপ্তাহে তার সাবেক পরিবহনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি মামলায় চলছে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ।
সাবেক মন্ত্রী জোস লুইস এবালোসকে ঘিরে দুর্নীতি মামলার এক সাক্ষী ভিক্টর আলদামা বুধবার আদালতে বলেছেন, সানচেজ অবগত ছিলেন তার সমাজতান্ত্রিক দল পিএসওইতে দেওয়া ঘুষের অর্থ সম্পর্কে।
তবে পিএসওইর এক মুখপাত্র এ বক্তব্যকে মিথ্যা বলে অভিহিত করে বলেছেন, এই ‘মানহানিকর’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে তারা।



