গাজার ছবি তুলে ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রীর পুলিৎজার জয়

আলোকচিত্রী সাহের আলকোরা
বিশ্ববাসীকে কাঁদিয়েছে গাজায় মানবিক সংকটের ছবি। এই ছবিগুলো বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছে গাজার বাস্তব অবস্থা। এমনই ছবিগুলো ক্যামেরার লেন্সে ধারণ করা । দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের ফিলিস্তিনি এই আলোকচিত্রী এবছর পেয়েছেন ব্রেকিং নিউজ ফটোগ্রাফি বিভাগে পুলিৎজার পুরস্কার।
আলকোরা একটি ফটোগ্রাফি সিরিজের জন্য এই পুরস্কার পান। সিরিজটিকে পুলিৎজার প্রশাসক মারজোরি মিলার বর্ণনা করেছেন ‘ভূতুড়ে’ এবং ‘সংবেদনশীল’ হিসেবে।
ছবিগুলো তুলে ধরেছে অক্টোবর ২০২৩ থেকে গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যার ফলে সৃষ্ট অনাহার ও ধ্বংসযজ্ঞ।
মিলার ক্রমবর্ধমান বাধার মধ্যেও জোর দেন স্বাধীন সাংবাদিকতার গুরুত্বের ওপর।
পুলিৎজারের পাশাপাশি গত অক্টোবর ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত ৩২তম প্রিক্স বায়েউক্স ক্যালভাদোস-নরম্যান্ডি পুরস্কারে যুদ্ধ ফটোগ্রাফি বিভাগে প্রথম পুরস্কারও জিতেছেন আলকোরা।
তার পুরস্কারজয়ী প্রতিবেদন ‘ট্রাপড ইন গাজা: বিটউইন ফায়ার অ্যান্ড ফেমিন’ তুলে ধরেছে অবরুদ্ধ জীবনের বাস্তবতা এবং বোমাবর্ষণ ও অনাহারের মধ্যে আটকে পড়া সাধারণ মানুষের দুর্দশা।
অন্যদিকে সরকারী প্রভাব ব্যবহারের অভিযোগ প্রতিবেদনে তুলে ধরায় জাতীয় প্রতিবেদন বিভাগে পুরস্কার জিতেছে রয়টার্স।
রয়টার্সের জেফ হরউইৎজ এবং এঙ্গেন থাম ‘স্ক্যাম ও এআই ম্যানিপুলেশনের’ ঝুঁকিতে ব্যবহারকারীদের উন্মুক্ত করে দেওয়ার ক্ষেত্রে মেটার ভূমিকা প্রকাশ করায় পেয়েছেন বিট রিপোর্টিং পুরস্কার।
পাবলিক সার্ভিস বিভাগে ফেডারেল সংস্থাগুলোর ‘বিশৃঙ্খল পুনর্গঠন’ তুলে ধরার জন্য পুরস্কৃত হয়েছে দ্য ও্যাশিংটন পোস্ট।
এছাড়া জেফরি এপস্টেইনের দ্বারা সংঘটিত পদ্ধতিগত নির্যাতন উন্মোচনে ধারাবাহিক কাজের জন্য বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে মায়ামি হেরাল্ডের জুলি কে ব্রাউনকে।




