০৬ মে ২০২৬, সকাল ৭:১৯
বিধানসভার ফলাফল
ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ আজ।
সকাল ৮টা থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা করা হবে, এরপর গণনা শুরু হবে ইভিএমে দেওয়া ভোট।
রাজ্যে পরিবর্তন আসবে, নাকি আবারও ক্ষমতায় ফিরবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়— এই প্রশ্নের উত্তরটা মিলবে আজই।
- ৩ দিন আগে(২০:২৭)

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
‘ধাক্কা দিয়েছে, মেরেছে, একশর বেশি আসন লুট করেছে’
১০০টির বেশি আসন লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সন্ধ্যায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের কেন্দ্র থেকে বেরোনোর সময়ে এ অভিযোগ করেন তিনি। পরে গাড়িতে উঠে কালীঘাটের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।
গণনাকেন্দ্র থেকে বেরোনোর সময় মমতাকে দেখে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিতেও শোনা গেছে। সোমবার দুপুরে কেন্দ্রে প্রবেশের সময়েও তাকে উদ্দেশ্য করে স্লোগান দিয়েছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।
সোমবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রে মমতা পৌঁছোনোর আগেই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। পরে মমতার গাড়ি পৌঁছোতেই ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।
কেন্দ্রের কাছে একটি পেট্রল পাম্পে ছিলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীও ছিলেন। পরে জানা যায়, তৃণমূল কর্মীদের সেখান থেকে উঠতে বলে পুলিশ। এর কিছু পরেই এগিয়ে আসা বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু হয় পুলিশের। পরে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা তৃণমূলের জমায়েতস্থলে পৌঁছে যান। তৃণমূল কর্মীদের পেতে রাখা চেয়ার ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।
উত্তেজনা শুরু হলে ঘটনাস্থলে বাড়ানো হয় নিরাপত্তা। এর মধ্যে ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও দিতে থাকে বিজেপির সমর্থকরা।
এদিকে, ভবানীপুর আসনে মোট ২০ রাউন্ড গণনা রয়েছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত ২০টির মধ্যে ১২টি রাউন্ডের ফল ঘোষণা হয়েছে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে কেন্দ্রটিতে। কখনও মমতা, কখনও শুভেন্দু এগিয়ে ছিলেন। তার পরের বেশ কয়েকটি রাউন্ডে এগিয়ে যান মমতা। আবার কিছু রাউন্ডে ব্যবধান কমাতে শুরু করেন শুভেন্দুও। যদিও গণনা শেষ হতে এখনও অনেকটা সময় বাকি। - ৩ দিন আগে(২০:৪২)
আসামে হিন্দুত্ববাদে বাজিমাত বিজেপির হিমন্তর
গোপাল বণিক, কলকাতা থেকে
ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে আসামেও হিন্দুত্ববাদ কাজে লাগিয়ে ছক্কা হাঁকালেন বিজেপির হিমন্ত বিশ্বশর্মা। ১২৬ আসনের আসামকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এক ব্রহ্মপুত্র ভ্যালি, দুই বরাক ভ্যালি। বরাক ভ্যালিতে বাঙালিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
আসামের মসনদ দখলের লড়াইয়ে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে। আইএনসি, ইউপিপিএল, এআইইউডিএফ ও সিপিআই (এম) লড়াই করেছে। আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা, গৌরব গগৈ ও বদরুদ্দিন।
১০২ আসনে এগিয়ে থেকে আসামে মোদি-শাহকে বড় জয় উপহার দিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সব বুথফেরত সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণ করে একাই দৌড়ালেন তিনি। যেখানে কংগ্রেস মাত্র ২১টি আসনে এগিয়ে। কংগ্রেস মনে করেছিল তারা ৪০ থেকে ৪৫টি আসন পাবে। তাই দলীয় বিধায়কদের ধরে রাখতে রাহুল গান্ধী আসামে ডিকে শিবকুমারকে পাঠান। কর্ণাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী এই শিবকুমার দক্ষ সংগঠক। তাই ৪০-৪৫ আসন পেলে সেখানে হিমন্তবিরোধী বিধায়কদের নিয়ে নতুন করে খেলার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু নির্বাচনের ফল যথেষ্ট হতাশ করেছে।
অন্যদিকে, সংখ্যালঘুদের দল ইউডিএফ পেয়েছে মাত্র দুটি আসন। - ৩ দিন আগে(২০:৩৪)

পিনারাই বিজয়ন
বামেদের শেষ দুর্গেরও পতন
কেরালায় পরাজয় ঘটতে চলেছে ক্ষমতাসীন বামপন্থীদের। আর এর সঙ্গে ভারতীয় রাজনীতিতে সূর্যাস্তের পাটে গেল সিপিএমসহ বামেরা। দক্ষিণ ভারতের রাজ্যটিতে পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ সরকারের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে কার্যত ধসে পড়ল বামেদের শেষ দুর্গ।
দীর্ঘ ৫০ বছর পর মোদি-শাহ যুগে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই পেল বামেরা। ভারতের মানচিত্রে থাকল না কোনো বাম রাজ্য। থাকছেন না একজন কমিউনিস্ট মুখ্যমন্ত্রী।প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ, পরে ত্রিপুরা। আর আজ কেরালায় বাম সরকারের পতনের পর ভারতের মাটিতে অস্তিত্বের সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে বামেদের রাজনীতি।
১৪০ আসনের রাজ্যটিতে ১০২টি আসনে এগিয়ে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস।
পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে ১৯৭৭-২০১১ পর্যন্ত ৩৪ বছরের বাম জমানার পতন ঘটান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৯৩ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত টানা ২৫ বছর রাজত্ব করার পর ত্রিপুরায় পতন ঘটে লাল ঝাণ্ডার। তবে ব্যতিক্রম ছিল কেরালা। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সরকার বদল করে কেরালা। প্রথা ভেঙে ২০২১ সালে ইতিহাস গড়েছিলেন সিপিএমের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন। ভাবা হয়েছিল অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ বিজয়ন কেরালা ধরে রেখে শেষ প্রদীপ নিভতে দেবেন না। কিন্তু কংগ্রেসের কাছে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর সিপিএম এখন দিশাহীন।
আসাম, বাংলা ও তামিলনাড়ুতে ভালো ফল না করলেও কেরালায় অপ্রতিরোধ্য রাহুল গান্ধীর দল। প্রত্যাশা অনুযায়ী ভালো ফল না করলেও তিনটি আসনে এগিয়ে বিজেপি। খাতা খুলে কেরালায় রাজনৈতিক মাটিতে এগিয়ে রইল বিজেপি। - ৩ দিন আগে(২০:১২)

নিজের গাড়িতে চড়ে কেন্দ্র থেকে চলে যাচ্ছেন মমতা। ছবি: আনন্দবাজার
ভবানীপুরে এগিয়ে শুভেন্দু, মমতাকে দেখে ‘চোর চোর’ স্লোগান
পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুর আসনে মমতাকে পেছনে ফেলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ১৬ রাউন্ড গণনার শেষে ৫৩৮ ভোটে পিছিয়ে আছেন মমতা। বাকি আরও চার রাউন্ড।
এসময় ভবানীপুরে গণনাকেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাকে দেখে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। - ৩ দিন আগে(২০:১২)

বক্তব্য দিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। ছবি: ভিডিও থেকে
বাংলা ভয়মুক্ত হলো : মোদি
আজকের এই দিন বিশেষ। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিন। ভরসার দিন। ভারতের মহান গণতন্ত্র, রাজনীতির ভরসার দিন। ভারতের শ্রেষ্ঠত্বের দিন আজ। আমি বাংলা, আসাম, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু আর কেরালার জনগণকে অভিনন্দন জানাই। বিজেপির কোটি কোটি সমর্থকদের অভিনন্দন জানাই।
ভারতের চার রাজ্য ও পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে সমাবেশ আয়োজন করে দলটি। সমাবেশে দেওয়া ভাষণে এমনটাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
মোদি বলেছেন, ‘গণতন্ত্রে জয়-পরাজয় স্বাভাবিক। এটা গণতন্ত্রের জয়, সংবিধানের জয়। বাংলায় পরিবর্তন হয়ে গেছে। আজ থেকে বাংলা ভয়মুক্ত হলো। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা শান্তি পেল।‘
পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৯৩ শতাংশ ভোটদানের হার ঐতিহাসিক বলেছেন তিনি।এদিকে এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া বার্তায় মোদি লিখেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফুটেছে! ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জনগণের শক্তির জয় হয়েছে এবং বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি জয়ী হয়েছে।’
‘আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রণাম জানাই। জনগণ বিজেপিকে অভূতপূর্ব রায় দিয়েছেন এবং আমি তাদের আশ্বাস দিচ্ছি, আমাদের দল পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সম্ভাব্য সবকিছু করবে। আমরা এমন একটি সরকার দেব, যা সমাজের সকল স্তরের মানুষের সুযোগ ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে।’সমাবেশে আগেই উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য চার রাজ্য ও পুদুচেরির ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন।
সমাবেশ মঞ্চে মোদি পৌঁছানোর পরই স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। ধুতি-পাঞ্জাবি পরে মঞ্চে উঠেন তিনি। - ৩ দিন আগে(১৯:৫০)
মুসলিম ভোট ভাগ হয়ে যাওয়াতেই কি পরাজয়ের পথে মমতা
সংবাদদাতা, কলকাতা
তৃণমূলের ভোটব্যাংক থেকে ভাগ হয়ে গেছে মুসলিম ভোট। আর একেই জয়ের বড় কারণ হিসেবে মনে করছেন বিজেপি নেতা ও পশ্চিমবঙ্গের সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মের ভিত্তিতে ভোটের এই মেরূকরণই বিজেপির সাফল্যের কারণ বলে মনে করছেন এই নেতা।
তার ভাষ্য, ‘মুসলিম ভোট ভাগ হয়ে গেছে। তৃণমূল পায়নি। আর হিন্দু ভোট আমরা একত্র করতে পেরেছি।’
শুভেন্দুর এমন বক্তব্য এলো ঠিক তখন, যখন জয় মোটামুটি সুনিশ্চিত বিজেপির।
২০২৬ সালের ৪ মে দিনটি পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অভাবনীয় দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। সোমবার (৪ মে) ভোট গণনার প্রাথমিক ফল যদি ঠিক থাকে, তাহলে দেড় দশকের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি এগিয়ে চলেছে এক ঐতিহাসিক জয়ের পথে। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি ১৮১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে, যেখানে তৃণমূল থমকে আছে মাত্র ৯২টি আসনে।
পরিসংখ্যান বলছে, বিজেপি এককভাবে ৪৬ শতাংশের বেশি ভোট পেতে চলেছে, যা গতবারের তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ বেশি। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলোয় হিন্দু ভোট প্রায় একতরফাভাবে বিজেপির দিকে গেছে। সন্দেশখালির মতো স্পর্শকাতর ইস্যু এবং সিএএ কার্যকর হওয়ার প্রভাব হিন্দু ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তার প্রশ্নে বিজেপিকে একমাত্র বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
এ ছাড়া বামপন্থী ভোটারদের একটি বড় অংশ— যারা নিজেদের ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার ভয়ে বা তৃণমূলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে মরিয়া ছিল— তারা সরাসরি বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। এই 'নিভৃত মেরূকরণ' তৃণমূলের দক্ষিণবঙ্গের কেল্লাগুলোকেও ধসিয়ে দিয়েছে।
তৃণমূলের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা ছিল সংখ্যালঘু ভোট, কিন্তু এবার সেখানে বড়সড় ফাটল দেখা দিয়েছে। ওবিসি সংরক্ষণ ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের পর রাজ্য সরকারের আইনি পদক্ষেপে দীর্ঘসূত্রতা এবং মুসলিম ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিলের ফলে লাখো মুসলিম যুবক কর্মসংস্থানের সুযোগ হারিয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
এর পাশাপাশি ওয়াকফ সম্পত্তি পরিচালনা নিয়ে নানা অভিযোগগুলোও অমূলক নয়। বিপুল পরিমাণ ওয়াকফ জমি জবরদখল হয়ে থাকা এবং তার সঠিক ব্যবহার না হওয়া নিয়ে সাধারণ মুসলিমদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল দীর্ঘদিনের। উপরন্তু, নওশাদ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আইএসএফ এবং বাম-কংগ্রেস জোট মালদা, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুরের মতো জেলাগুলোয় মুসলিম ভোটের প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কেটে নিয়েছে। এই ভোট বিভাজন সরাসরি বিজেপির জয়ের পথ প্রশস্ত করেছে, আর পিছিয়ে দিয়েছে তৃণমূলকে। সে কারণেই মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোতেও বিজেপি এবার অভাবনীয় ফলাফল পেয়েছে।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ার আরেকটি বড় কারণ হলো তৃণমূল সরকারের দমনমূলক নীতি। গত কয়েক বছরে সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে যারা সরব হয়েছেন বা পৃথক রাজনৈতিক সত্তা তৈরির চেষ্টা করেছেন, তাদের অনেকের ওপর পুলিশি ব্যবস্থা এবং ধরপাকড় করা হয়েছে। এই বিষয়টি মুসলিম ভোটারদের একাংশকে এই বার্তা দিয়েছে যে, সরকার তাদের শুধু ভোটব্যাংক হিসেবে দেখতে চায়, অংশীদার হিসেবে নয়। ফলে ভয়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এবার ব্যালট বাক্সে তারা বিকল্প খুঁজছেন।
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বিতর্কিত এবং নির্ণায়ক বিষয় হলো ভোটার তালিকা থেকে বিপুলসংখ্যক নাম বাদ পড়া। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর)-এর মাধ্যমে রাজ্য জুড়ে প্রায় ৯১ লাখ ভোটারের নাম কাটা গেছে, যা মোট ভোটারের প্রায় ১২ শতাংশ।
তৃণমূলের অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তর ২৪ পরগনা (১২ দশমিক ৬ লাখ), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১০ দশমিক ৯১ লাখ) এবং মুর্শিদাবাদের (৭ দশমিক ৪৮ লাখ) মতো সংখ্যালঘু ও দরিদ্র অধ্যুষিত জেলাগুলোতেই সবচেয়ে বেশি নাম বাদ গেছে। অনেক আসনেই দেখা যাচ্ছে যে, পরাজয়ের ব্যবধান বাদ পড়া ভোটার সংখ্যার চেয়েও কম। ফলে এই প্রশাসনিক প্রক্রিয়াই তৃণমূলের ভোট অংককে তছনছ করে দিয়েছে।
টানা ১৫ বছরের শাসনকালে তৈরি হওয়া প্রতিষ্ঠানবিরোধী হাওয়া এবার তুঙ্গে ছিল। শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি—তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের জেলযাত্রা সাধারণ মানুষের মনে গভীর রেখাপাত করেছে। রেকর্ড ৯২ দশমিক ৮৪ শতাংশ ভোটদানই প্রমাণ করে যে, মানুষ পরিবর্তনের লক্ষ্যে বুথমুখী হয়েছিলেন।
বাম-কংগ্রেস জোটও তাদের ভোট শেয়ার কিছুটা বাড়িয়ে ১০-১২ শতাংশে নিয়ে যাওয়ায় অনেক ত্রিমুখী লড়াইয়ে তৃণমূলের পরাজয় ত্বরান্বিত হয়েছে। হিন্দু ভোটের সংহতি এবং মুসলিম ভোটের ভাঙন— এই দুইয়ের চাপে পড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপরাজেয় ভাবমূর্তি আজ প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে। - ৩ দিন আগে(১৯:২৮)

নন্দীগ্রামে জয়ী শুভেন্দু
নন্দীগ্রামে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী। অন্তত ১০ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন তিনি।
এদিন ১৭ রাউন্ড শেষে ৫৭০০ ভোটে এগিয়ে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু। কেন্দ্রে ভোটগণনা হয়েছে মোট ১৮ রাউন্ড। - ৩ দিন আগে(১৮:১৬)
দেড় দশক পর পশ্চিমবঙ্গে পালাবদলের সুর
সংবাদদাতা, কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট নেওয়া হয় দুই দফায়। এবার চলছে গণনা। কর্মযজ্ঞ যত এগোচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা। সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোটগণনার ধারায় বেলা ৩টা পর্যন্ত যে ফল পাওয়া গেছে, তা দিচ্ছে রাজ্যের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণের আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৯৪ আসনের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে ২০৪ আসনে, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস ৮৩টিতে। বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস এবং অন্যরা মোট ছয়টিতে এগিয়ে। এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে— ক্ষমতার পালাবদল এখন সময়ের ব্যাপার।
দীর্ঘ দেড় দশক ধরে বাংলার মসনদ দখলে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের। এবার কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়েছে দলটি। ভোটবাক্সে সাধারণ মানুষের রায়ের যে প্রতিফলন এখন ধরা পড়ছে, তা পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার কথাই বলছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। বিশেষ করে শহর ও কলকাতাসংলগ্ন অঞ্চলে বিজেপির অগ্রগতি এই পরিবর্তনের বার্তাকে করছে আরও স্পষ্ট।
কলকাতার রাজনৈতিক মানচিত্রে এবারের গণনায় দেখা যাচ্ছে নতুন রঙ। পানিহাটি, মানিকতলা, বরাহনগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপির প্রার্থীরা। পানিহাটিতে আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতনের শিকার মেয়েটির মা হিসেবে পরিচিত বিজেপির প্রার্থী এগিয়ে থাকায় ইস্যুভিত্তিক ভোটের প্রভাব নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা। মানিকতলায় বিজেপির তাপস রায় এগিয়ে, বরাহনগরে সজল ঘোষ পেছনে ফেলেছেন তৃণমূলের সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
তবে লড়াই একতরফা নয়। তৃণমূল কংগ্রেসও একাধিক কেন্দ্রে ধরে রেখেছে নিজেদের শক্তি। বালিগঞ্জে শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে। বেলেঘাটা, উলুবেড়িয়া পূর্ব, হিঙ্গলগঞ্জ ও করিমপুরের মতো কেন্দ্রে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। ফলে সামগ্রিকভাবে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেও, লড়াই এখনো বহুমাত্রিক।
সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো তৃণমূলের একাধিক হেভিওয়েট নেতার পিছিয়ে পড়া। শশী পাঁজা, ব্রাত্য বসু, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুজিত বসু, মানস ভুঁইয়াসহ অন্তত ২৩ মন্ত্রী পিছিয়ে রয়েছেন নিজেদের কেন্দ্রে।
জেলা স্তরেও একই ছবি। কোচবিহারের ৯টি আসনেই এগিয়ে বিজেপির প্রার্থীরা। রানাঘাট উত্তর-পশ্চিমে বিজেপির পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায় বড় ব্যবধানে রয়েছেন এগিয়ে। বড়ঞা, উত্তরপাড়া, খড়গ্রামের মতো কেন্দ্রেও বিজেপির শক্তি স্পষ্ট। খড়গ্রামে বিজেপির মিতালি মাল এরই মধ্যে নিশ্চিত করেছেন জয়। কান্দিতে বিজেপির গার্গী ঘোষ দাস তৃণমূলের অপূর্ব সরকারকে পরাজিত করেছেন উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে। ফলগুলো মিলিয়ে যে চিত্র উঠে আসছে তা হলো, শহর থেকে গ্রাম— সর্বত্রই বিজেপি তাদের প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম।
বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনা
গণনার দিন শুধু সংখ্যার হিসাবেই সীমাবদ্ধ নেই। বিভিন্ন জায়গায় সামনে এসেছে উত্তেজনার ঘটনাও। কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের সামনে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে হয়েছে সংঘর্ষ। অভিযোগ রয়েছে ভাঙচুরের। তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ সামনে এসেছে কল্যাণীতেও। ঘটনাগুলো গণনার আবহে বাড়িয়েছে উদ্বেগ।
এদিকে ফলতা কেন্দ্রের ভোট বাতিল হয়ে যাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন সেখানে নির্দেশ দিয়েছে পুনর্নির্বাচনের। ফলে পরে গণনা হবে সেই আসনের ফল।
সব মিলিয়ে বেলা ৩টা পর্যন্ত যে চিত্র সামনে এসেছে, তা বাংলার রাজনীতিতে সম্ভাব্য নতুন ইঙ্গিত দেয় যুগান্তরের। বিজেপি এই লিড বজায় রাখতে পারলে প্রথমবারের মতো করবে রাজ্যে সরকার গঠন।
নবান্নে নজিরবিহীন নিরাপত্তা
ক্রমেই উত্তেজনা বাড়তে থাকায় রাজ্যের প্রশাসনিক স্তরে বাড়ছে সতর্কতা। সম্ভাব্য ক্ষমতার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দপ্তর নবান্নে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের সক্রিয় উপস্থিতি কেড়েছে নজর।
নবান্নের সব প্রবেশ ও প্রস্থানপথে চলছে কড়া নজরদারি। দপ্তরে ঢোকা বা বেরোনো সব কর্মীকে যেতে হচ্ছে তল্লাশির মধ্য দিয়ে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি বা ফাইল যাতে বাইরে নিয়ে যাওয়া বা ভেতরে আনা না যায়, সে লক্ষ্যেই এ বিশেষ ব্যবস্থা। একই সঙ্গে রাজ্যের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরেও বাড়ানো হয়েছে সতর্কতা।
নবান্নে কর্মরত একাধিক কর্মী জানিয়েছেন, এদিন দপ্তরে প্রবেশের ক্ষেত্রে অনেকটাই কঠোর হয়েছে নিয়ম। খতিয়ে দেখা হচ্ছে ব্যক্তিগত ব্যাগ থেকে শুরু করে ফাইল— সবই। যদিও এই নজরদারি হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছে, তবুও পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় সহযোগিতা করছেন কর্মীরা।
সব মিলিয়ে একদিকে ভোটের ফলাফলে সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত, অন্যদিকে প্রশাসনিক স্তরে কড়া নজরদারি— এই দুই মিলিয়ে রাজ্যে সৃষ্টি হয়েছে এক ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি। এখন চূড়ান্ত ফলের অপেক্ষা, যা নির্ধারণ করবে আগামী দিনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিশা
- ৩ দিন আগে(১৭:৫৫)
পশ্চিমবঙ্গে বিজয়-মিছিল না করার নির্দেশনা
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন।
আজ সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে কোনো দলই কোনো বিজয়-মিছিল, উৎসব বা জমায়েত করতে পারবে না। সমগ্র রাজ্য জুড়েই এই নিয়ম বহাল থাকবে।
তবে নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামীকাল অর্থাৎ পাঁচই মে থেকে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে বিজয় মিছিল করা যাবে। - ৩ দিন আগে(১৭:৩০)
গণনা শেষ হওয়ার আগেই বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের সংঘর্ষ
এখনও শেষ হয়নি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা। এরই মধ্যে রাজ্যের একাধিক জায়গা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘাতের খবর উঠে আসছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের ‘দুর্গ’ হিসেবে পরিচিত একাধিক অঞ্চল দখলে নিতে চাচ্ছে বিজেপি— এমনটাই অভিযোগ তৃণমূল নেতাকর্মীদের।
ইতিমধ্যে ব্যারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীর ওপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি এজেন্টদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট জমা পড়েছে।
অন্যদিকে, কোচবিহার জেলার দিনহাটায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাংচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে জানিয়েছেন ডিআইজি অঞ্জলি সিং।
এছাড়া, বাঁকুড়াতেও কাউন্টিং সেন্টার চত্বরে তৃণমূল ও বিজেপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে। দুই দলই দুই দলের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে। তবে এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি প্রশাসন। - ৩ দিন আগে(১৭:১৪)
ভবানীপুরে শুভেন্দুর সঙ্গে ভোটের ব্যবধান কমছে মমতার
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুরে তৃণমূলের প্রধান মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর ব্যবধান আরও কমে এসেছে। তবে এখন পর্যন্ত এগিয়েই আছেন মমতা। ৫৩০০ ভোটে তিনি এগিয়ে আছেন।
১৩ রাউন্ড গণনার শেষে ব্যবধান সাত হাজার থেকে কমে পাঁচ হাজার হয়েছে।
- ৩ দিন আগে(১৭:০২)
পশ্চিমবঙ্গে দু’টি আসনে জয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা
পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থেকে জয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ওই আসন থেকে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী সৈকত পাঁজা। তৃণমূলের সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে ১৪৭৯৮ ভোটে হারিয়েছেন। পাঁজার প্রাপ্ত ভোট ৯৬৫৫৯।
অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা থেকেও জয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এখানে জিতেছেন তৃণমূলের রেয়াত হোসেন সরকার। তিনি পেয়েছেনএক লাখ পাঁচ হাজার ৯৯৭ ভোট। সিপিআই(এম)-এর মহামুদল হাসানকে হারিয়েছেন ৫৬ হাজার ৪০৬ ভোটে। - ৩ দিন আগে(১৭:০১)
ভবানীপুরে এখনও ৭ হাজার ভোটে এগিয়ে মমতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুরে তৃণমূলের প্রধান মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর ব্যবধান সাত হাজারে নেমে এসেছে।
১২ রাউন্ড শেষে মমতা এগিয়ে রয়েছেন ৭ হাজার ১৮৪ ভোটে। - ৩ দিন আগে(১৫:২৫)

তামিলনাড়ুর ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন (বামে) এবং বিজয় থালাপতির প্রার্থী ভিএস বাবু। ছবি : সংগৃহীত
নিজ আসনে পিছিয়ে স্ট্যালিন, হারের শঙ্কা
প্রাথমিক একাধিক দফার ভোট গণনার পর তামিলনাড়ুর ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন নিজ এলাকা কোলাথুর আসনে পিছিয়ে আছেন।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, স্ট্যালিন তামিলগা ভেট্রি কাজাগামের ভিএস বাবুর চেয়ে ৭ হাজার ৩০০-এর চেয়ে বেশি ভোটে পিছিয়ে আছেন। এআইএডিএমকে প্রার্থী আর সান্থানাকৃষ্ণন বর্তমানে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।
কোলাথুর এমন একটি আসন যা ডিএমকে সভাপতি স্ট্যালিন ২০১১ সাল থেকে ধরে রেখেছেন। বাবু বর্তমানে নবগঠিত টিভিকে-র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। - ৩ দিন আগে(১৪:৪০)

বিজয় থালাপতির সঙ্গে তৃষা। পুরনো ছবি
থালাপতির চেন্নাইয়ের বাসায় তৃষা
তামিলনাড়ু বিধানসভার ভোট গণনা চলছে। প্রাথমিক ফলাফলে বিজয় থালাপতির দল এগিয়ে আছে নিরঙ্কুশ ব্যবধানে। এরই মধ্যে, আজ তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান গিয়েছেন বিজয় থালাপতির চেন্নাইয়ের বাড়িতে। দুপুরে তাকে দেখা গেছে বিজয়ের বাসভবনের সামনে।
মুভিস্টার বিজয় থালাপতি রাজনীতিতে এসেই দেখিয়েছেন বড় চমক। হুইসেল মার্কায় বাজিমাত করেছেন তিনি। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমডিকে ধরাশায়ী করতে যাচ্ছে তার দল।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, তামিলনাড়ুর ২৩৪ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ১০৪টিতে এগিয়ে রয়েছে থালাপতির নতুন দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম বা সংক্ষেপে টিভিকে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস ও বামপন্থী ডিএমডিকের জোট এগিয়ে রয়েছে মাত্র ৭১ আসনে। বিরোধী ডিএমকে, বিজেপি ও পিএমকের জোট এআইএডিএমকে এগিয়ে রয়েছে ৫৮টি আসনে।
এর আগে, গত রাতে নিজের ৪৩তম জন্মদিনের প্রাক্কালে হাজির হয়েছেন তিরুপতি মন্দিরে। তিনি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তাকে তিরুপতির পথে রওনা হতে দেখা যাচ্ছে। আজ ভোরে তিনি মন্দিরে পূজা দিয়েছেন অত্যন্ত শান্তভাবে এবং কোনো রকম জাঁকজমক ছাড়াই। ভক্তরা লক্ষ করেছে তিনি কোনো ভিড় বা হট্টগোল ছাড়াই ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরের আশীর্বাদ নিয়েছেন নিজের বিশেষ এই দিনটি উদ্যাপনের জন্য।
তৃষার এই ধর্মীয় সফর ঢুকে পড়েছে এখন সরাসরি রাজনীতির ময়দানে। অনেকে দাবি করছেন, তার এই সফরের সময়টা মিলে গেছে ঠিক তামিলনাড়ু নির্বাচনের ভোট গণনার দিনের সঙ্গে। ২০২৬ সালের এই নির্বাচনে অভিনেতা বিজয় তার নতুন দল ‘তামিলগা ভেট্রি কাজাগম’ নিয়ে লড়াই করছেন এবং আজ ৪ মে চলছে সেই ভোটের মহাগণনা। নেটিজেনরা বলছেন, তৃষার এই প্রার্থনা হয়তো তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বিজয়ের রাজনৈতিক সাফল্যের জন্যই নিবেদিত। - ৩ দিন আগে(১৩:৪৭)

বিরোধীরা এগিয়ে তিন রাজ্যে
ভারতের চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে শুরু হয়ে ফলাফল ঘোষণা। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, শুধু আসাম ও পুদুচেরি বাদে তিনটি বিধানসভায় ক্ষমতার পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।
সবচেয়ে বড় চমক হতে যাচ্ছে দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ুতে। মুভিস্টার বিজয় থালাপতি রাজনীতিতে এসেই দেখিয়েছেন বড় চমক। হুইলেস মার্কায় বাজিমাত করেছেন তিনি। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমডিকে ধরাশায়ী করেছে তার দল।
দক্ষিণের আরেক রাজ্য কেরালাতেও আসতে চলেছে পরিবর্তন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মোট ১৪০ আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এগিয়ে রয়েছে। এই জোট এগিয়ে আছে ৮৫ আসনে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ১০ বছর পর ক্ষমতার পালাবদল হচ্ছে রাজ্যটিতে।
এদিকে, পশ্চিমবঙ্গেও হতে যাচ্ছে শাসন পরিবর্তন। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রাজ্যটির মসনদে বসতে যাচ্ছে বিজেপি। এর মাধ্যমে অবসান হবে তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের।
এনডিটিভির সরাসরি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ২৯৪ আসনের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ১৯১ আসনে। অন্যদিকে রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস ৯৭ আসনে রয়েছে এগিয়ে। - ৩ দিন আগে(১৩:৩৩)

মমতা বন্দোপাধ্যায়
বাঘের বাচ্চার মতো লড়ব, পিছিয়ে থেকেও মমতার হুঙ্কার
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার ভোট গণনা চলছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৯৩ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল এগিয়ে আছে মাত্র ৯৪ আসনে।
পিছিয়ে থেকেও তৃণমূল সুপ্রিমো হতাশ নন। তিনি ভয়ও পাচ্ছেন না। সমর্থকদেরও বলছেন রাখতে বুকে বল।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এক্সে সোমবার দুপুরের দিকে ভিডিও বার্তায় তৃণমূলনেত্রী বলেছেন, আপনারা দয়া করে ভোটিং এলাকা ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান। আমি কাল থেকেই বলছি, ওদেরগুলো আগে দেখাবে, আমাদেরগুলো দেখাবে পরে। অনেক জায়গায় দুই তিন রাউন্ড গণনা করার পর, প্রায় ১০০ জায়গায় বন্ধ রাখা হয়েছে ভোট গণনা।
মমতার অভিযোগ, সেন্ট্রাল ফোর্সকে দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর করা হচ্ছে নির্যাতন। লুট করেছে ভোট। এখনও ৭০ থেকে ১০০ আসনে আমরা এগিয়ে আছি যা বলছে না। টোটালটাই খাওয়াচ্ছে মিথ্যা নিউজ। আগে যে এ খবরগুলো দিত তাকে কাল করা হয়েছে বদলি। টোটালটাই ইলেকশন কমিশন খেলছে নিজের ইচ্ছেমতো।তৃণমূল সুপ্রিমো দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘অত মন খারাপ করার কারণ নেই। সূর্যাস্তের পর জিতবেন আপনারাই। ওয়েট অ্যান্ড সি। আপনারা কেউ ভয় পাবেন না। নিশ্চিন্তে থাকুন। আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব।’
- ৩ দিন আগে(১৩:০৫)

মমতা বন্দোপাধ্যায়
ভবানীপুরে ১৯ হাজার ভোটে এগিয়ে মমতা
ষষ্ঠ রাউন্ড গণনা শেষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর প্রাপ্ত ভোট ১১ হাজার ১৫৫।
তৃণমূলের প্রধান মমতা বন্দোপাধ্যায় পেয়েছেন ৩০ হাজার ৫৪৮।
দুজনের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান ১৯ হাজার ৩৯৩।সূত্র: আনন্দবাজার
- ৩ দিন আগে(১২:১৪)

শুভেন্দু অধিকারী
বিজেপি সরকার গড়ছে, বললেন শুভেন্দু
ভোটের ফলে এগিয়ে থাকার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গড়তে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজ্যে দলের অন্যতম নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আজ সোমবার তিনি এ আশার কথা জানান।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, বিজেপি এ পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে ১৯৪ আসনে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে মাত্র ৯৬ আসনে।
ভোটগণনা নিয়ে শুভেন্দু বলেছেন, ‘অল্প ইভিএম গোনা হয়েছে। এটাকে বড় কিছু করে দেখানো ঠিক না। প্রাথমিকভাবে আমার যে পর্যবেক্ষণ, হিন্দু ইভিএম বিজেপির, মুসলিম ইভিএম তৃণমূলের। তবে তা-ও আগের মতো নয়।’
পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির এ নেতার মতে, ‘নন্দীগ্রামের প্রথম রাউন্ড আমি পেয়ে গিয়েছি। ৩০০০ লিড পেয়েছি। সরকার বিজেপি গড়ছে, এটা ধরে নিয়ে চলুন। আমার আশা ছিল ১১০০ পাব। তিন গুণ বেশি পেয়েছি। ভবানীপুরে টক্কর হবে।’
‘প্রথম রাউন্ডে ১৪টি বুথ মুসলিমপ্রবণ। আটটি হিন্দু বুথে আমার লিড আছে। ভবানীপুরে ৯-১০ রাউন্ড থেকে দেখবেন, আমি অনেক এগিয়ে যাব। ১০ রাউন্ডের পর আমাকে হারানো মুশকিল হয়ে যাবে।’
বিজেপির এই নেতার ভাষ্য, ‘হিন্দুরা পদ্মের পক্ষে আছে। এটা আমাদের জন্য খুব ভালো ইঙ্গিত।’আজ সকাল থেকে শুরু হয় ভোট গণনা। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসছে কে।
সূত্র: আনন্দবাজার
- ৩ দিন আগে(১২:০৩)

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৯৩ আসনে, তৃণমূল ৯৭
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে।
এনডিটিভির সরাসরি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এগিয়ে রয়েছে ১৯৩ আসনে।
অন্যদিকে রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৯৭ আসনে। - ৩ দিন আগে(১১:১৩)

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি
ভবানীপুরে আবারও এগিয়ে মমতা
হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে ভবানীপুরে। আবার এগিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃতীয় রাউন্ডের শেষে মমতার প্রাপ্ত ভোট ৯ হাজার ৩৫৯। শুভেন্দুর প্রাপ্ত ভোট ৮ হাজার ৪৬১।
৮০০-র বেশি ভোটে এগিয়ে মমতা।
- ৩ দিন আগে(১১:১০)

পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গাস্বামী। ফাইল ছবি
পুদুচেরিতে এনআর কংগ্রেস এগিয়ে, ধরাশায়ী বিজেপি
ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতেও চলছে বিধানসভার ভোট গণনা। ৩০ আসনের মধ্যে প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে, ক্ষমতাসীন এআইএনআরসি ৮টি এগিয়ে আছে।
কংগ্রেস ও ডিএমকেসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক দল নিয়ে গঠিত বিরোধী জোট এগিয়ে আছে ৩টি আসনে। অন্যদিকে, বিজেপি এগিয়ে আছে ১টি আসনে।
অঞ্চলটির মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গাস্বামীর নেতৃত্বাধীন এনআর কংগ্রেস সরকার আবারও ক্ষমতায় বসতে চলেছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। - ৩ দিন আগে(১১:০৫)

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৭২ আসনে, তৃণমূল ১১২
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে।
এনডিটিভির সরাসরি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এগিয়ে রয়েছে ১৭২ আসনে।
অন্যদিকে রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ১১২ আসনে। - ৪ দিন আগে(১০:২০)

আসামের মুখ্যমন্ত্রী বিশ্ব হেমান্ত শর্মা। ফাইল ছবি
আসামে হ্যাটট্রিক বিজয়ের পথে বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গের পার্শ্ববর্তী আসাম রাজ্যে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পথে ক্ষমতাসীন বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হেমান্ত শর্মার ক্ষমতা আরও ৫ বছরের জন্য বাড়তে যাচ্ছে।
প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, ১২৬ আসনের মধ্যে ৬৫টিতে এগিয়ে বিজেপি। অন্যদিকে, মাত্র ১৮ আসনে এগিয়ে কংগ্রেস।
সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬৪ আসনের ম্যাজিক ফিগার ইতোমধ্যে ছুয়ে ফেলেছে বিজেপি। - ৪ দিন আগে(১০:৩৯)

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ভবানীপুরে এগিয়ে মমতা
পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুরে প্রথম রাউন্ড গণনার শেষে ১৯৯৬ ভোটে এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুভেন্দু পেয়েছেন ১৬৭০ ভোট। মমতা পেয়েছেন ৩৬৬৬ ভোট।
সূত্র: আনন্দবাজার
- ৪ দিন আগে(০৯:৫২)

টিভিকে প্রধান বিজয় থালাপতি। ফাইল ছবি
তামিলনাড়ুতে থালাপতি এগিয়ে, ত্রিমুখী লড়াই
দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ুর ২৩৪ আসনে একযোগে ভোট গণনা চলছে। ক্ষমতাসীন কংগ্রেস ও বামপন্থি ডিএমডিকের জোট এগিয়ে আছে ৬২ আসনে।
অন্যদিকে, বিরোধী ডিএমকে, বিজেপি ও পিএমকের জোট এআইএডিএমকে ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে। তারা এগিয়ে আছে ৬১টি আসনে।
টালিউড অভিনেতা বিজয় থালাপতির নতুন দল তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম বা সংক্ষেপে টিভিকে এগিয়ে আছে ৬৭ আসনে। শেষ পর্যন্ত এ ত্রিমুখী লড়াই চলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। - ৪ দিন আগে(০৯:৫১)
কেরালায় এগিয়ে কংগ্রেস, বেশ পিছিয়ে বামজোট
১০ বছর কেরালার ক্ষমতায় থাকার পর ক্ষমতাসীন বামপন্থিরা কংগ্রেসের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে চলেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এবার হয়ত পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
মোট ১৪০ আসনের মধ্যে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এগিয়ে রয়েছে। এই জোট এগিয়ে আছে ৩৯ আসনে।
অন্যদিকে ক্ষমতাসীন বামপন্থি এলডিএফ এগিয়ে আছে ১৯ আসনে। - ৪ দিন আগে(০৯:৩৮)

ছবি: আনন্দবাজার
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৬৩ আসনে, তৃণমূল ১১৪
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। এনডিটিভির সরাসরি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এগিয়ে রয়েছে ১৬৩ আসনে। অন্যদিকে রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস ১১৪ আসনে রয়েছে এগিয়ে।
এরা আগে আজ সকাল ৮টায় শুরু হয় ভোট গণনা। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার মধ্যে জয়-পরাজয়ের গতিপ্রকৃতি জানা যেতে পারে।
- ৪ দিন আগে(০৯:২৪)

গণনাকেন্দ্রে যাওয়ার পথে আইএসএফ কর্মীর মৃত্যু
আজ সকালে পশ্চিমবঙ্গের ভাঙ্গড় থেকে যাদবপুরে ভোট গণনাকেন্দ্রে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্ডিয়ান সেকুল্যার ফ্রন্টের (আইএসএফ) এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
সল্টলেক সেক্টর ফাইভে গাড়ি ম্যাটাডোর উল্টে এসময় আরও বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। তারা বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ফুরফুরা দরবার শরিফের পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বাধীন দল এটি। দলটির বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস মুসলিম ভোট বিভাজনের অভিযোগ করে আসছে।



