হরমুজ থেকে প্রথম টোল আদায় ইরানের

প্রতীকী ছবি
হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিতে গুণতে হবে টোল। এমনই ঘোষণা দিয়েছিল ইরান। এবার ইরান জানাল, প্রণালি থেকে প্রথমবার রাজস্ব পেয়েছে তারা।
আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি থেকে প্রথম রাজস্ব পেয়েছে তেহরান।
পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজিবাবাই বললেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে জমা হয়েছে হরমুজ প্রণালির টোল থেকে প্রাপ্ত প্রথম অর্থ।’
গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডর হিসেবে পরিচিত এই প্রণালি ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে একটি বড় উত্তেজনার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
ইরান এই পথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সীমিত সংখ্যক জাহাজকে। স্বাভাবিক সময়ে এই রুট দিয়ে পরিবহন হয় বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্য।
টোল থেকে আয় হওয়ার ঘোষণার আগে প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর টোল আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছিল ইরানের পার্লামেন্ট। কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছিলেন, এই প্রণালীতে নৌ চলাচল ‘যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় আর ফিরবে না’।
৩০ মার্চ ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, পার্লামেন্টের নিরাপত্তা কমিশন টোল আরোপের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। তবে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ সংসদীয় ভোট হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
ইরানকে প্রণালিটি খুলে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ ৩০টির বেশি দেশ এই প্রণালিতে নৌ চলাচল সুরক্ষিত রাখতে বৈঠক করেছেন। প্যারিস ও লন্ডন জানিয়েছে, পরিস্থিতি অনুকূল হলে তারা নেতৃত্ব দেবে একটি বহুজাতিক মিশনের।



