ইসলামাবাদ পৌঁছেছে উভয় পক্ষ
আলোচনার আগে প্রচণ্ড চাপে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

ইসলামাবাদে আলোচনার জন্য পৌঁছেছে তেহরান ও ওয়াশিংটনের প্রতিনিধিদল। ছবি : ডন
যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী রূপ দিতে পাকিস্তানে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা। প্রচুর রাজনৈতিক চাপ নিয়েই ইসলামাবাদ এসেছে উভয় পক্ষ। সংঘাত দীর্ঘ হয়ে যাওয়া এবং আগের আলোচনায় কোনো সফলতা না আসায় এরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মত বিশ্লেষকদের।
সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির সিনিয়র নন-রেসিডেন্ট ফেলো সিনা তুসির মত, ইতোমধ্যে পাকিস্তানে পৌঁছানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ের ওপরই প্রচুর রাজনৈতিক চাপ রয়েছে।
তুসির দাবি, এক্ষেত্রে ইরানিদের ওপর চাপটা বেশি। কারণ তারা আগেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুবার আলোচনায় ছিল। আর মাঝপথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আকস্মিক সামরিক হামলা করে তেহরানে।
তার ভাষ্য, ওয়াশিংটন ইসলামাবাদে যাদের পাঠিয়েছে, মার্কিন দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ; তাদের সঙ্গে ইরানের খারাপ অভিজ্ঞতা আছে।
তিনি যোগ করেন, তবে তেহরান এটাও বুঝে গেছে হরমুজ প্রণালি বন্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যতটা সামলাতে পারবে, তার চেয়ে মার্কিন নৌ-অবরোধ দক্ষভাবে সামলেছে ইরান। যে কারণে তাদেরও ছাড় দেওয়ার মানসিকতা কম।
এদিকে, শনিবার ভোরে এক এক্স বার্তায় ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই নিশ্চিত করেছে, প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদ পৌঁছালেও তেহরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো বৈঠক হচ্ছে না।
বাকাই লিখেছেন, ‘আমরা একটি সরকারি সফরে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছি। যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া আগ্রাসী যুদ্ধের অবসান এবং আমাদের অঞ্চলে শান্তি পুনরুদ্ধারের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।’
তিনি স্পষ্ট করেন, ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো বৈঠক হওয়ার পরিকল্পনা নেই। ইরানের পর্যবেক্ষণগুলো শুধু পাকিস্তানকে জানানো হবে।
সূত্র : আলজাজিরা ও মেহের নিউজ।



