‘আজ আমাদের কাছ থেকে আল-আকসা কেড়ে নেওয়া হয়েছে’

পবিত্র আল-আকসা মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের ওপর হামলা চালায় ইসরায়েলের সেনারা। ছবি: সংগৃহীত
পবিত্র আল-আকসা মসজিদের প্রাঙ্গণের কাছে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে বাধা দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
আজ শুক্রবার সেখানে মুসল্লিদের ওপর টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়া হয় এবং মারধর করা হয়।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পবিত্র আল-আকসা মসজিদ বন্ধ করে রেখেছে। এরই মধ্যে আজ এ হামলার ঘটনা ঘটল।
ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞার কারণে ৫৯ বছর পর এবার আল-আকসা মসজিদে ঈদের জামাত হয়নি।
মুসল্লিরা পুরোনো শহরের গেটের বাইরে ঈদের নামাজ আদায় করতে বাধ্য হন।
এর আগে সকাল থেকেই আল-আকসায় নামাজ পড়ার জন্য জায়নামাজ নিয়ে হাজির হন বহু ফিলিস্তিনি।
এ সময় তারা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে চিৎকার করতে করতে শহরের ফটক ঠেলে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন।
কিন্তু কয়েক ডজন পুলিশ কর্মকর্তা তাদের প্রতিহত করে, মাঝে মাঝে মাথায় লাথি বা চড় মেরে এবং অন্তত দুবার কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
পুলিশ কয়েক মিনিটের জন্য শিথিলতা দেখালে অবশেষে মুসল্লিরা হেরোদের গেটের পাশে অবস্থান নিতে সক্ষম হন।
পরে তাদের রাস্তায় নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
ষাটোর্ধ্ব ফিলিস্তিনি ওয়াজদি মোহাম্মদ শুয়াইকি এএফপিকে আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আজ আমাদের কাছ থেকে আল-আকসা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এটি একটি দুঃখ ও যন্ত্রণাদায়ক রমজান।’
‘এটি জেরুজালেমের বাসিন্দাদের জন্য, সাধারণভাবে ফিলিস্তিনিদের জন্য এবং বিশ্বজুড়ে সব মুসলমানের জন্য একটি বিপর্যয়কর পরিস্থিতি’, যোগ করেন তিনি।
সূত্র: আলজাজিরা

