ইরানে আজ সবচেয়ে তীব্র হামলা হবে: হেগসেথ

সংগৃহীত ছবি
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ‘জয়ী হচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেছেন পেন্টাগনের প্রধান পিট হেগসেথ। তবে যুদ্ধ কখন শেষ হবে সে বিষয়ে কোনো সময়সীমা তিনি জানাননি।
সাংবাদিকদের মঙ্গলবার হেগসেথ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তিনটি প্রধান লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে— তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করা, তাদের নৌবাহিনী ধ্বংস করা এবং ‘আজীবনের জন্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা’।
হেগসেথ বলেছেন, ‘শত্রুকে সম্পূর্ণ ও চূড়ান্তভাবে পরাজিত না করা পর্যন্ত আমরা থামব না।’
‘আমরা আমাদের সময়সূচি ও আমাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করছি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আজ ইরানের ভেতরে আমাদের হামলার সবচেয়ে তীব্র হবে— সবচেয়ে বেশি যুদ্ধবিমান, সবচেয়ে বেশি বোমারু বিমান এবং সবচেয়ে বেশি হামলা’, তিনি বলেছেন।
ওয়াশিংটন বারবার দাবি করছে যে ইরান পরাজিত হচ্ছে, কিন্তু ইরানি নেতারা পাল্টা প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করে দৃঢ় অবস্থান দেখাচ্ছেন।
ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তা আলি লারিজানি মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘তোমাদের চেয়েও শক্তিশালী শক্তি আমাদের জাতিকে ধ্বংস করতে পারেনি। যারা চেষ্টা করেছে, তারাই শেষ পর্যন্ত নিজেরাই ধ্বংস হয়ে গেছে।’
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এক হাজার ২৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার পর ইরান ইসরায়েল এবং পুরো অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দিয়েছে।
ইরানের সামরিক বাহিনী উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনাতেও হামলা চালিয়েছে এবং জ্বালানি বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়েছে, যার ফলে জ্বালানির দাম দ্রুত বেড়ে গেছে।
এদিকে, যদি ইরান তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি না দেয়, তাহলে তারা ‘মৃত্যু, আগুন ও তাণ্ডবের’ মুখোমুখি হবে বলে সোমবার গভীর রাতে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।

