গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে হামলার পেছনে ‘ইরান যুদ্ধ’ ইস্যু

সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে নৈশভোজে হামলা চেষ্টার পেছনে ইরান যুদ্ধ ইস্যু নিয়ে ক্ষোভ কাজ করতে পারে বলে ধারণা করছে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এক প্রাথমিক প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন কোল অ্যালেনের মধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষোভ ছিল প্রবল। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিও তার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
গত ২৫ এপ্রিল হোয়াইট হাউস সংবাদদাতাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের নৈশভোজ অনুষ্ঠানে করা হয় এ হামলার চেষ্টা। সে-সময় নিরাপত্তায় নিয়োজিত মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের এক সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে অ্যালেনের বিরুদ্ধে।
‘ক্রিটিক্যাল ইনসিডেন্ট নোট’ হিসেবে প্রতিবেদনটি তৈরি করে ডিএইচএসের অফিস অব ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড অ্যানালাইসিস। পরে এটি সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্রের উন্মুক্ত নথি আইনের আওতাধীন এক সংস্থা।
ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের ভাষ্য, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন ঝুঁকি সম্পর্কে অংশীদারদের জানাতে তৈরি করা হয় এ ধরনের প্রতিবেদন।
মঙ্গলবার ফেডারেল কর্মকর্তার ওপর হামলাসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে অ্যালেনের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে রয়েছে হত্যাচেষ্টা, সহিংস অপরাধে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার এবং অঙ্গরাজ্যের সীমানা অতিক্রম করে অবৈধভাবে অস্ত্র বহনের অভিযোগ।
তদন্তের অংশ হিসেবে অ্যালেনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম খতিয়ে দেখছে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করেছিলেন অভিযুক্ত। বিশেষ করে ইরান ইস্যু, অভিবাসন নীতি ও ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে তার একাধিক পোস্ট ছিল।
এছাড়া হামলার রাতে আত্মীয়দের কাছে পাঠানো একটি বার্তায়ও প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অ্যালান। সেখানে একজন ‘বিশ্বাসঘাতককে’ লক্ষ্যবস্তু করার ইঙ্গিত ছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তবে তদন্তকারীরা উল্লেখ করেছেন, এই মূল্যায়ন রয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ে। হামলার পেছনের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি এখনো।





