স্টারমার
বেশিরভাগ এমপিই আমার পক্ষে

সংগৃহীত ছবি
দলীয় নেতৃত্ব নিয়ে চাপ বাড়লেও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তার দাবি, পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির অধিকাংশ এমপি এখনও তার পক্ষে। রাজনৈতিক অস্থিরতার এই সময়ে তার দৃঢ় অবস্থান নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে যুক্তরাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে।
সম্প্রতি সানডে টাইমস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টারমার এসব কথা জানান। তার মত, রাজনীতিতে নেতৃত্ব নিয়ে জল্পনা নতুন কিছু নয়। রাজনীতিতে এ ধরনের আলোচনা সব সময়ই থাকে।
তিনি বলেন, “রাজনীতিতে এ ধরনের আলোচনা সব সময়ই থাকে। কিন্তু যারা সমর্থন করেন, যারা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে চান—তাদের কথা খুব একটা শোনা যায় না। অথচ পার্লামেন্টারি লেবার পার্টির বেশিরভাগ সদস্যই সেই দলে।”
স্টারমার বলেছেন, যারা আমাকে সমর্থন করেন, দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে চান— তারা এসব কথা বলেন না। সাংবাদিকদের কাছেও যান না। তারা শুধু নিজেদের কাজ করতে চান।
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে লেবার পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা লর্ড ম্যান্ডেলসনের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। এছাড়া তাকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সময় নিরাপত্তা যাচাই প্রক্রিয়া ঘিরে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। এ ইস্যুতে কিয়ার স্টারমারের ভূমিকা ব্যর্থ। এরপর থেকে বিরোধী দলগুলো স্টারমারের পদত্যাগ দাবি করছে।
স্টারমার জানান, নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ম্যান্ডেলসনের ভেটিং অনুমোদনের বিরুদ্ধে মত দিয়েছিল, কিন্তু তা তার কাছে পৌঁছায়নি।
স্টারমারের ভাষ্য, ‘নেতৃত্ব বিতর্কের চেয়ে ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার।’
কনজারভেটিভ দলের ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস ফিলপ বলেছেন, ‘স্টারমারের পদত্যাগ করা উচিত। তা না হলে লেবার এমপিদের উচিত তাকে সরিয়ে দেওয়া।’
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রধান সচিব ড্যারেন জোনস স্পষ্ট করেন, ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ নিয়ে সরকারের লুকানোর কিছু নেই।
তিনি স্বীকার করেন, মে মাসে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচন লেবারের জন্য কঠিন হতে পারে এবং সাম্প্রতিক বিতর্ক এ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।



