শিক্ষামন্ত্রী
বিশ্ববিদ্যালয় তদারকিতে ‘সেল’ গঠন করবে মন্ত্রণালয়

সংগৃহীত ছবি
দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ ‘তদারকি সেল’ গঠন করার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিতে তৈরি করা হবে ইউজিসির রিপোর্টের পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব পর্যবেক্ষণ রিপোর্টও।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বায়ত্তশাসন ও কর্মপদ্ধতি নিয়ে তিনি বলছিলেন, ‘প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে কাজ করছে, সেটা দেখার জন্য আমি মন্ত্রণালয়ে সেল বানাচ্ছি। আমি সব দেখতে চাই। শুধু ইউজিসির রিপোর্টের ওপর আমরা নির্ভর করব না, আমার মন্ত্রণালয়ের আলাদা রিপোর্টও থাকবে।’
‘আমাদের শিক্ষকরা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে দেখে আসুক তারা কীভাবে পড়াচ্ছে। সারা বিশ্বে এখন প্রজেক্ট বেজড পড়াশোনা হচ্ছে, অথচ আমরা এখনো মান্ধাতার আমলের পদ্ধতিতে পড়ে আছি। এই চিত্র বদলাতে হবে’, যোগ করেন মন্ত্রী।
‘ফেসবুকে একদল ‘বট বাহিনী’ আমাকে নিয়ে ভুয়া ফটোকার্ড বানিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি নাকি পরীক্ষার দিন রুটিন দেব—এমন হাস্যকর কথা ছড়ানো হচ্ছে। আমি বলেছি জিরো পাস করলেও এমপিও বাতিল হবে না, আর তারা লিখে দিল ফেল করলেই এমপিও বাতিল! মনে হচ্ছে ফেসবুকই এখন দেশ চালাচ্ছে,’ স্যোশাল মিডিয়ায় মন্ত্রীকে নিয়ে চলা ট্রল এবং ভুয়া তথ্যের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে ড. মিলন বলেছেন, ‘তোমরা গুগলে সার্চ করে দেখো, একটি ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটিতে কীভাবে পড়াশোনা হয়। সেই মান তোমরা শিক্ষকদের কাছে ডিমান্ড করো। শিক্ষকদের সেটা দিতেই হবে। শিক্ষকরা যা বলবেন সেটুকুই শেষ কথা—সেই দিন এখন আর নেই।’
হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এনাম উল্ল্যাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের তিনজন সংসদ সদস্য ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকরা।



